প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রথম দিনে প্রেক্ষাগৃহে ছিল হাউজফুল
সেই সময়ে হাসুমণি এ সময়ের প্রধানমন্ত্রীকে জেনেছেন

জিয়াউদ্দিন রাজু: তিনি হাসুমণি, বঙ্গবন্ধুর কন্যা, তিনবারেরর প্রধানমন্ত্রী। তাকে নিয়ে ডকুমেন্টারি ফিল্ম। মুক্তির আগেই আলোচনায় থাকা এই সিনেমার প্রথম দিনে সিনেমাহলে ছিল উঁপচে পরা ভিড়। দর্শনার্থীদের ভাষ্য, রাসেলের হাসুমনিকে জানতেই এসেছিলেন তারা। গতকাল রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রেক্ষাগ্রহ এমন চিত্র দেখা যায়।

কিছু তথ্য দিয়ে শুরু করা এই সিনেমার প্রতিটি অংশে ছিল ঐতিহাসিক স্মৃতিগাঁথা। ঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সাথে কথোপকথনরত এই সিনেমায় দর্শকমহল ছিল মুগ্ধ। জেনেছেন ইতিহাসের কিছু অজানা তথ্য। প্রিয় নেত্রীকে রঙিন পার্দায় দেখে আবেগে ভেসেছেন সবাই। তাইতো সিনেমা শেষেও আলোচনা চলছিল ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’। ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটের সিনেমা শেষে অনেকেই বলতে শোনা গেছে, ‘ইস’ যদি সিনেমাটা আরো একটু বড় হতো।

এই ডকুমেন্টারির মাধ্যমে মানুষ প্রথমবার দুই বোনের মুখে জানতে পেরেছে শৈশব ও কৈশরের গল্প। জেনেছে বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তান যুগের নির্যাতিত হওয়ার গল্প। দর্শকরা জেনেছে ৭৫’র ১৫ আগস্টের করুণ কাহিনী। পরবর্তী জীবন যুদ্ধে সংগ্রামের বীর গাঁথা। এ সময় অনেকের চোখের কোনে জল এসেছিলো মনের অজান্তে। মুগ্ধ ও শোকাহত দর্শকরা খেয়ালই করেননি যে, তাদের নয়ন থেকে বইছে ঝর্ণাধারা। আবেগ আর ভালোবাসায় তারা ছিলো মগ্ন। তারা হয়ত তখন হারিয়ে গিয়েছিলেন কল্পনার জগতে। আগন্তুকদের দেখে মনে হয়েছে, তারা পর্দায় না, বাস্তবে সামনাসামনি শুনছেন জাতীর বরপুত্রের দুই কন্যার স্মৃতি।

সিনেমা শেষে এক দর্শনার্থী কলেজ ছাত্র হাসিব জানান, ওই সময়কালের হাসুমনি ও এই সময়ের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য বুঝার জন্যই সিনেমা হলে আসা। যতটা আগ্রহ নিয়ে এসেছি প্রাপ্তি ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি। এখানে না আসলে জানতেই পারতাম না শেখ হাসিনা আজকের প্রধানমন্ত্রী হতে কতটা সংগ্রাম করেছেন। কত কষ্ট বুকের মাঝে বয়ে চলেছেন তিনি। তার হাসির আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে কত বেদনা।

আরেক দর্শনার্থী নোবেল (শিক্ষার্থী) জানান, দুই বোনকে ৭৫’র পরবর্তী সময়ে এদেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু সংগ্রাম করে আজ তাদের একজন এদেশের ৩ বারেরর প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। এ চলচ্চিত্রের প্রতিটি অংশে ছিল প্রেরণা।

আরেকজন দর্শনার্থী শামিমা আক্তার(একজন মা) আবেগতাড়িত হয়ে বলেন, কি এমন হয়েছিল যে একটি পরিবারকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে। বাদ

যায়নি ছোট্ট শিশু রাসেলও। সিনেমা দেখতে আসার মুল কারণ ছিল এটাই। কিছুটা হলে সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে।
অন্য একজন দশনার্থী রাসেল জানান, রাজনৈতিক মতে ভিন্ন থাকতেই পারে। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের ঐই সময়ের পরিস্থিতি জানার জন্য একবারের জন্য হলেও এই ডকুমেন্টারি দেখা উচিত। তিনি তার মা ও বাবার জন্যও টিকিট সংগ্রাহ করেছেন। সম্পাদনা: হুমায়ুন কবির খোকন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত