Skip to main content

সিডর বিধ্বস্ত শরণখোলায় বেড়িবাঁধের কাজ শেষ হয়নি ৩ বছরেও!

নইন আবু নাঈম, শরনখোলা (বাগেরহাট) : ১৫ নভেম্বর ভয়াল সেই সিডরের দিন আজ। বছর ঘুরে এই দিনটি আসলেই গুমরে কাঁদে বাগেরহাটের শরণখোলাবাসী। ক্ষোভে-দুঃখে স্বজন হারাদের একটাই আক্ষেপ, তখন যদি উচু এবং টেসই বেড়িবাধ থাকতো তাহলে তাদের আপন মানুষগুলো চোখের সামতে থেকে চিরদিনের জন্য চলে যেতে হতোনা। কিন্তু সুপার সাইক্লোন সিডরের আজ ১১ বছর পার হলেও শরণখোলাবাসীর সেই কাঙ্খিত দাবি টেকসই বেড়িবাধ নির্মানের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সিডর বিধ্বস্ত বাগেরহাটের শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/১ পোল্ডারে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে তিন বছর মেয়াদী প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে উপকূলীয় বাধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি। চীনের ‘সিএইচডব্লিউই’ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু মেয়াদ প্রায় শেষের পথে, অথচ ৫০ভাগ কাজও সম্পন্ন হয়নি। এই প্রকল্প ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত আরো দুই বছর কাজের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। নদী শাসনের ব্যবস্থা না করে বাধ নির্মাণ করায় তা বার বার নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে, শঙ্কা কাটছেনা এলাকার মানুষের। বেড়িবাধ নির্মাণ প্রকল্পের স্থানীয় প্রকৌশলী শ্যামল কুমার দত্ত জানান, ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া ৩৫/১ পোল্ডারের ৬৩.২ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধের কাজ তিন বছরে বাস্তবায়ন করার কথা থাকলেও চায়না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ পর্যন্ত ৫০ ভাগ কাজ শেষ করতে পেরেছে। বেড়িবাঁধটি টপে চওড়ায় ৪.৫০ মিটার এবং বর্তমানের চেয়ে জায়গা বিশেষ দুই থেকে আড়াই মিটার উঁচু হবে। এ পোল্ডারে বেরিবাঁধ নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্থের সংখ্যা ১ হাজার ৮’শ ৯৯ জন। প্রকল্পের কাজের মধ্যে বলেশ্বর নদীতীর এলাকার ১১.৭৫০ কিমি সিসি ব্লকের কাজ, ১৫টি ড্রেনেজ স্লুইস গেট, ১৭টি ফ্লাসিং স্লুইস গেট ও ৫টি স্লুইস গেট নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পের মধ্যে মাত্র দেড় কিলোমিটার নদী শাসনের কাজ ধরা হয়েছে যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম বলে তিনি মন্তব্য করেন। সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, বাধ নির্মাণ কাজ খুবই ধীরগতিতে চলছে। নদী শাসন ছাড়া বেড়িরবাধ নির্মাণ হলে তা পানিতে ভেসে যাবে। এলাকার কোনো কাজে আসবেনা। ইতোমধ্যে সাউথখালীর গাবতলা ও বগী এলাকায় নতুন ওয়াপদা বেরিবাধ নির্মাণের স্থানে আকস্মিকভাবে কয়েকদফায় কয়েকশ’ মিটার এলাকার সিসি ব্লকসহ বাধ বলেশ্বর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে মানুষ আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। নদী শাসনের কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য তিনি সরকারের কাছে জোর দাবি জানান। এ ব্যাপারে সিইআইপি প্রকল্পের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফুল আলম বলেন, শরণখোলার বগী এলাকায় ১ কিলোমিটারসহ পুরো প্রজেক্টে ৯ কিলোমিটার নদী শাসনের প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে নদী শাসনের কাজ শুরু করা হবে। তিনি আরো বলেন, বগী এলাকায় ভাঙ্গনের তীব্রতায় নতুন করে ডিজাইন ও জমি অধিগ্রহনের জন্য প্রকল্পের কাজের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত আরো দুই বছর বাড়ানোর প্রস্ত করা হয়েছে। কাজ শুরুর তিন বছরে ৩৫/১ পোল্ডারে ৫০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরের সৃষ্ট জলোচ্ছাসে শরণখোলা উপজেলাসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে শরণখোলা উপজেলায় সহস্রাধীক মানুষের প্রাণহানী ঘটে। হাজার হাজার গবাধি পশু মারা যায়। অসংখ্য ঘরবাড়ি, গাছপালা বিধস্ত হয়। ধসে যায় মাইলের পর মাইল ওয়াপদা বেড়িবাধ। পরবর্তীতে উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে আধুনিক, টেকসই ও উঁচু বেড়িবাঁধ নির্মাণে দাবি ওঠে। পরবর্তীতে বাস্তবতা উপলদ্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জ বাসীকে দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করতে একটি টেকসই বেরিবাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেওয়ার পর কাজ শুরু হয়। সিডরে স্বজন হারানোর আকুতি। সেলিম মোল্লা (৪৫), পেশায় একজন জেলে, বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিণ সাউথখালী ওয়ার্ডের গাবতলা এলাকার বাসিন্দা, প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর এলেই তার দু চোখের অশ্রু ছল ছল করে। কারন ২০০৭ সালের সুপার সাইক্লোন ঘূর্নিঝড় সিডরের কথা আজও ভুলতে পারেনি তিনি। বসত বাড়ীর সন্নিকটে স্থাণীয় বাজারে একটি দোতালা বিল্ডিং থাকলেও ঘূর্নিঝড়ের ওই রাতে পরিবারের ১০ সদস্য নিয়ে জীবন বাঁচাতে পাশ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল খলিফার বাড়িতে রওনা হয়। কিন্তু ৩৫/১ পোল্ডারের ভেরীবাঁধ ভেঙ্গে বলেশ্বর নদীর প্রবল স্রোত এলাকায় ঢুকে পড়লে তার পিতা মাতা, দুই বোন ও তার ছেলে মেয়ে সহ পরিবারের ৮ জন নিখোঁজ হয়। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় তিনি ও তার স্ত্রী। সকালে তাদের লাশ মেলে ধান ক্ষেত । দক্ষিণ সাউথখালীর ওই ওয়ার্ডটিতে বসবাসরত সহস্রাধীক ধিক মানুষের মধ্যে ৩৮১ ব্যাক্তি মারা যায় ভয়ংকর সেই রাতে। পরের দিন দাফনের জায়গা সংকটের কারনে গন কবর দিতে হয় নিহতদের। সিডর বিধ্বস্ত ১৫১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের শরণখোলা উপজেলায় প্রায় দেড় লাখ মানুষের বসবাস। টেকসই বাঁধ ও আবাসন সংকটের কারনে উপজেলার রাজেশ্বর, কদমতলা, চাল রায়েন্দা, জিলবুনিয়া, রায়েন্দা বাজার, তাফালবাড়ী, বগী, খুড়িয়াখালী, তেরাবেকা, সোনাতলা, গাবতলা, দক্ষিণ সাউথখালী সহ ২১ টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ঝুকির মধ্যে বসবাস করে। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘুর্ণিঝড় সিডর দক্ষিণ আঞ্চল সহ গোটা উপকুলীয় এলাকায় আঘাত হানে। যার ফলে লন্ড ভন্ড হয়ে যায় বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোফ ফরেষ্ট সুন্দরবন সহ উপকুলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা। সে দিন মৃত্যুপুরীতে পরিনত হয় উপজেলার ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়নটি। ভেঁঙ্গে পড়ে পুরো জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা। স্থানীয় হিসাব মতে শরণখোলায় সেই দিনের প্রানহানীর ঘটনা হাজরের বেশী হলেও সরকারী হিসাব মতে তার সংখ্যা ৭০৯ জন। এছাড়া ঘর বাড়ী সহ অন্যান সম্পদের ক্ষতি হয় অপূরনীয়। সিডরের বাস্তব রূপ: ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সারাদিন ধরে অঝড়ে বৃষ্টি পড়ছিল। যতই দিনের শেষ হয় ততই বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। সেদিন বিকেলে বৃষ্টি সহ ঝড়-বাতাস আরো তীব্র হয়। সন্ধা হতে না হতেই বাতাসের চাপে গাছপালা ভেঙ্গে রাস্তা এবং ঘর বাড়ির উপরে পড়তে থাকে। রাত যত বাড়ে ততই আরো তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। তখন ছিল ১০ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত। তার আগে সারাদিন ধরে উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং রেডক্রিসেন্ট এর উদ্যোগে সারা শরণখোলায় মাইকিং করে সকল মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য জোরালো ভাবে বলা হলো। কিন্তু কিছু মানুষ তাদের পরিবার সহ আশ্রয় কেন্দ্রে গেলেও বলেশ্বর নদীর পাড়ে বসবাসরত রায়েন্দা, খোন্তাকাটা, চালিতাবুনিয়া, গাবতলা, বগী, তাফালবাড়ী এবং সাউথখালীর গরীব পরিবারগুলো তখনো সিডরের ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারেনি। তবে, রায়েন্দা বাজার সদরে বলেশ্বর নদীর পাড়ে যেসকল পরিবারগুলো ছিল তাদেরকে সেদিন সন্ধা নাগাদ তৎকালী ওসি আঃ রহমান পুলিশ ফোর্স দিয়ে সকল পরিবারগুলোকে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসে। রাত যতো বেশি হয় ততই রাক্ষসী বলেশ্বরের চেহারা পাল্টাতে শুরু করে। বিভিন্ন মিডিয়া মাধ্যমে জানা যায়, ভয়াল সিডরে প্রতি ঘন্টায় বাতাসের তীব্রতা থাকবে ২৪০-২৫০ কিলোমিটার বেগে। তবে, বাস্তবচিত্রে দেখা যায়, বৈদ্যুতিক লোহার পোষ্টের ধারণ ক্ষমতা ছিল ২৮০-৩০০ কিলোমিটার সেই বৈদ্যুতিক পোষ্টও ভেঙ্গে চুড়ে একাকার করে দিয়ে যায়। সেদিন রাত ৯টা স্বাভাবিক জোয়ারের পানি আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করে। রাস্তার আশেপাশের গাছপালা গুলো ঘর-বাড়ি ও রাস্তার ভেঙ্গে পড়তে থাকে। তখনই শরণখোলার মানুষ আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়ে। অনেক মানুষই ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে বা নিরাপদস্থানে যেতে পারেনি। রাত ৯ টা বাজার সাথে সাথে সকল প্রকার মোবাইল নেটওয়ার্ক হয়ে যায়। তখনও জোয়ারের পানি স্বাভাবিক ছিল। তারপরে সিডরের তান্ডব বাড়তে শুরু করে। চারদিকে ছোটাছুটি করতে থাকে মানুষ। রাত ১০টা বাজার সাথে সাথে সিডরের রক্তচক্ষু দেয়া যায়। আচমকা বৃষ্টিসহ বাতাতের তীব্রতা এতটা বেড়ে গেল এবং পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে মুহুর্তের মধ্যে ১০-১২ ফুট হয়ে গেল। তখন অসহায় মানুষগুলো নিরাপদে যাবার জন্য ঘর বাড়ি ছেড়ে বাহির হলেই ভয়াবহ বাতাস এবং পানির স্রোতে এক একজন এক এক দিকে চলে গেল। পানির উচ্চতা এবং স্রোতে আরো বাড়তে বাড়তে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ সহ সকল রাস্তা ভেঙ্গে একাকার হয়ে গেল। আকাশের দিকে তাকালে দেখা গেল সিডরের রক্ত চক্ষু। সারা আকাশ জুড়ে অগ্নীকুন্ড বাতাসের সাথে মিশে সব কিছু ধ্বংস করে দিয়ে গেল। রাত ১২টার দিকে সিডরের ভয়াবহতা সামান্য একটু কম মনে হলো, কিছু কিছু মানুষ বাহিরে নামতে শুরু করলো। মনে হলো বাতাস এবং পানিতে সারা এলাকা সাগরে পরিণত হয়েছে। তবে, ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘূর্ণিঝড় সিডর মূলত রাত ১০টা থেকে ১২ পর্যন্ত ২ ঘন্টা স্থায়ী ছিল। এই ২ ঘন্টার তান্ডবে শরণখোলার প্রায় সহা¯্রাধিক মানুষ মারা যায়। তবে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ৭০৯ জনের কথা শোনা যায়। ৪নং সাউথখালী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। তার সাথে সাথে গৃহপালিত পশু সহ কোন প্রকার কৃষি আবাদের কোন অস্তিত্বই ছিল না। মাত্র ২ ঘন্টায় শরণখোলা সহ দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা লন্ডভন্ড করে দিয়ে গেল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ সাউথখালী ইউনিয়নে গেলে তাফালবাড়ী, গাবতলা, চালিতাবুনিয়া, বগী, শরণখোলায় দেখা গেল মানুষতো দূরের কথা কোন ঘর বাড়িরই অস্তিত্ব নেই। মনে হলো, কে যেন ইচ্ছে করে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। গাছের ডালে ঝুলে এবং ঘরে চাপা পড়ে আছে বহু মানুষের লাশ। দীর্ঘ ২-৩ মাস যাবত মৃতের স্বজনরা তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছে। অগনিত মানুষ ভাসতে ভাসতে বিভিন্ন খালে বিলে দেখা গেল। সাউথখালী এলাকার মানুষ দিশেহারা হয়ে ২০-২৫ টি লাশকে গণ কবর দেয়া শুরু করলো। কোন রকম কাপড় চোপড় জড়িয়ে বিনা জানাযায় লাশগুলো মাটি চাপা দেয়। সাউথখালী ইউনিয়নে প্রায় ৫ শতাধিক মানুষের গণ কবর দেখা যায়। একই পরিবারের ৮-১০ জন মারা যায় সেই ভয়াবহ সিডরে। আবার কোন পরিবারের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি। আস্তে আস্তে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো বিভিন্ন এনজিও সহ দাতা সংস্থা। সরকারীভাবেও তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ নেওয়াজ তালুকদার প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার ও পানির ব্যবস্থা করলেন। পরবর্তীতে আসতে শুরু করলে বিদেশী সাহায্য। বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল শরণখোলা উপজেলার সিডর বিধ্বস্ত মানুষকে। নতুন করে ঘর-বাড়ি দিতে থাকলো বিভিন্ন দাতা সংস্থাগুলো। ত্রাণ পাওয়ার জন্য ভিক্ষুকের মতো সারিবদ্ধ ভাবে দাড়েয়ে থাকলো সিডর বিধ্বস্ত জণগন। তবে, এখন পর্যন্ত ভয়াবহ সেই সিডরের ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে উঠতে পারেনি শরণখোলাবাসী।

অন্যান্য সংবাদ