প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংকটময় মুহূর্তে ত্যাগের বিষয় আছে : আমির খসরু

হ্যাপি আক্তার :আসন বন্টন নিয়ে বিএনপি’র সঙ্গে ত্রিমুখী দরকষাকষি চলছে ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের। ধোঁয়াশা কাটেনি প্রতীক নিয়েও। বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যে সংকটময় মুহূর্ত আমরা পার করছি এখানে ত্যাগের একটা বিষয় আছে। আর কে কত আসন চাচ্ছে সেটা তো বড় কথা নয়। সকল পক্ষকে ভাবতে হবে আমাদেরকে নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে হবে।’

এরই মধ্যে চাহিদার তালিকাও বিএনপি’র কাছে জমা দিয়েছে জোটের শরিকরা। এখন চলছে দলীয় মনোনয়নের ফরম বিতরণ। আর আসন ভাগাভাগি নিয়ে শরীকদের সঙ্গে চলছে শেষ মুহূর্তের দরকষাকষি। অবশ্য প্রতীক বা প্রার্থী নয়, জোট ও ফ্রন্টকে বিজয়ী করাই একমাত্র লক্ষ্য মানছেন জোট ও ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ জানান, অন্যায় কোনও আবদার আমরা করবো না, যার প্রাপ্তি ভালো থাকবে তার প্রার্থীকেই আমরা প্রাধান্য দিয়ে ওই প্রার্থীর জন্য আমরা সবাই কাজ করবো। তিনি আরও জানান, ৩০টি আসনের জন্য আমরা মোটামুটি একটা চিন্তা ভাবনা করেছি তবে সেটা বাড়তেও পারে।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, ‘আমরা তালিকা দিয়েছি ২১ জনের। এর মধ্যে আমরা আমাদের অগ্রাধিকারের চাহিদার কথাও বলেছি। তবে আমরা এটাও লিখে দিয়েছি জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেনেই চলবো।’

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন বন্টনে ছাড় দেয়ার কথা জানিয়ে গণফোরাম এর কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপি অত্যান্ত সহনশীলভাবে কাজ করছে এবং তারা বলেছে সর্বোচ্চ ছাড় দিতে তারা প্রস্তুত। আর আমরাও মনে করি আমরা ঐক্য করেছি বলেই আমাদের লোকজনদের সংসদ সদস্য হতে হবে বা মন্ত্রী হতে হবে এমন কোনও বিষয় না।’

অন্যদিকে প্রতীক নিয়েও দ্বিধায় আছেন জোট ও ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। জোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা কে কোন আসনে কি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন এ প্রসঙ্গে এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেন, ‘আমরা কয়েকজন এলডিপির ছাতা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবো। আর যাদের সমস্যা আছে বা যারা মনে করে ছাতা প্রতীকে নির্বাচন করলে তারা হয়তো নির্বাচিত হবে না তারা ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করবে এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

আসন বরাদ্দ নিয়ে জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন জানান, আসন নিয়ে বাড়াবাড়ি করাটা আমাদের লক্ষ্য নয়। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঐক্যফ্রন্টের বিজয় নিশ্চিত করা। ঐক্যফ্রন্টের প্রতীক কি হবে সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।

২০০১ এবং ২০০৮ সালে চারদলীয় জোট করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বিএনপি। ২০০৮ সালে বিএনপি তাদের জন্য শরিকদের ছেড়ে দেয় ৪১টি আসন। এবার দুই জোটের শরিক হয়ে নির্বাচনি বৈতরণী পার হবার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। সূত্র : ডিবিসি নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত