প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্লিনটনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুললেন মনিকা

আরটিভি অনলাইন : যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনস্কির সম্পর্কের ব্যাপারে কম আলোচনা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে জল্পনা-কল্পনা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে, মনিকাকেও নানা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু এটা নিয়ে খুব কমই কথা বলেছেন তিনি।

অবশেষে ক্লিনটনের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলেছেন মনিকা। সম্প্রতি ‘দ্য ক্লিনটন অ্যাফেয়ার’ নামের একটি সিরিজ ডকুমেন্টারিতে ক্লিনটনের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে অনেক কিছুই বলেছেন তিনি। এছাড়া তার নীল পোশাকে দাগ লেগে থাকার সেই ‘কুখ্যাত’ ঘটনারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
বিশ্বজুড়ে চলমান নারী অধিকার ভিত্তিক মি-টু আন্দোলনের অংশ হিসেবে ক্লিনটনের সাথে যৌন কেলেঙ্কারি সম্পর্কে মুখ খুলেছেন মনিকা লিউনস্কি। আর এতে দূর হয়েছে ২০ বছরের ধোঁয়াশা।

ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ‘দ্য ক্লিনটন অ্যাফেয়ার’ ডকুমেন্টারি সিরিজের একটি পর্ব দেখেছে নিউ ইয়র্ক পোস্ট। ওই পর্বে মনিকা বলেন, তার পোশাকে দাগ লেগে আছে এটা তিনি বুঝতেই পারেননি। এক পর্যায়ে ভেবেছিলেন খাবারের দাগ লেগেছে।
এরপরই অন্য এক বক্তব্যে দাগ লাগার বিষয়টি খুলে বলেন হোয়াইট হাউসের সাবেক এই ইন্টার্ন। তিনি বলেন, মূলত ক্লিনটনের সাথে ওভাল অফিসের বাথরুমে শারীরিক সম্পর্কের পরই তার পোশাকে দাগ লাগে। শারীরিক সম্পর্কের ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে একটি হ্যাট-পিন ও ওয়াল্ট হুইটম্যানের সাহিত্যকর্ম ‘লিভস অব গ্রাস’ উপহার পান।

মনিকা লিউনস্কির ভাষায়, “আমি ওই রাতে ডিনারে গিয়েছিলাম। সেখানে থাকা কেউই আমাকে বলেনি- এই তোমার বাথরুমে যাওয়া উচিৎ, তোমার পোশাকে ময়লা লেগে আছে।”

মনিকা জানান, ক্লিনটন ও তার সহকারীদের সাথে ওভাল অফিসে যান তিনি। তবে সহকারীরা তাদের দুজনকে একা রেখে চলে যায়। মূলত দুজনকে একান্তে সময় কাটানোর জন্য এমন কাজ করে তারা।

এ সময় ক্লিনটন মনিকার হাতে হ্যাট-পিন উপহার হিসেবে তুলে দেন। তখন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট মনিকার উদ্দেশে বলেন, হ্যাট পরলে তোমাকে দারুণ লাগে। তুমি ও তোমার হ্যাট উভয়ই সুন্দর। এরপরই ওয়াল্ট হুইটম্যানের সাহিত্যকর্ম ‘লিভস অব গ্রাস’ মনিকার হাতে তুলে দেন ক্লিনটন।

উপহার দেয়া-নেয়ার পর দুজনে মিলে বাথরুমে চলে যান । মনিকার ভাষায়, “আমরা বাথরুমে চলে যাই এবং আরও অন্তরঙ্গ হই। তখন ক্লিনটন আমার প্রতি খুব মনোযোগ দিয়েছিলেন, আমিও তাই করছিলাম। তিনি তার কাজ শেষ করে থেমে যান। তখন আমি সোজা হয়ে বলি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে। তিনি তখন সম্মতি দেন।”

মনিকা আরও বলেন, “কাজ শেষে আমি তাকে জড়িয়ে ধরি এবং ক্লিনটনও আমাকে জড়িয়ে ধরে। এরপর চলে আসি।”
প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে লস এঞ্জেলসের কলেজ গ্র্যাজুয়েট মনিকা লিউনিস্ক হোয়াইট হাউসে আনপেইড ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দেন। তখন তার বয়স ছিল ২১ বছর। এরপরই ধীরে ধীরে তখনকার প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে তার যা একসময় শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত