প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ‘বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর’

প্রিয় সংবাদ : : মঞ্চ একটি। ৩০ জন তারকা। দুই বাংলার দুই বিচারক। দুই উপস্থাপক। প্রতিযোগিতা শুরু হলো। জিতবে কে? ঢাকা না কলকাতা? এমন প্রশ্ন রেখে নাগরিক টিভিতে অক্টোবর মাস থেকে শুরু হয় ‘বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর’ নামের প্রতিযোগিতামূলক নাচের অনুষ্ঠান। এ লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন দর্শকও।

চ্যানেলটি প্রিয়.কমকে জানায়, দর্শকের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে ‘বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর’। এমনটাই তথ্য পাওয়া যায় কয়েক সপ্তাহ ধরে টেলিভিশন ভিউয়ার্স রিপোর্টে (টিআরপির টিভিআর)। শুধু তাই নয়, জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে নাচের এই রিয়েলিটি শো। গত সপ্তাহের (৪৪তম সপ্তাহ) রিপোর্টে দেখা যায়, নাচের অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে মোট টিভিআর ০.১৮৩১ নিয়ে শীর্ষ স্থানটি দখল করে আছে এ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানটির প্রতিটি পর্ব যৌথভাবে উপস্থাপনা করেছেন কলকাতার সৌরভ ও বাংলাদেশের মাসুমা রহমান নাবিলা। এটি সপ্তাহের প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় প্রচার হচ্ছে নাগরিক টিভিতে।

বাংলাদেশ ও কলকাতার টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র শিল্পীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে। একই সঙ্গে উভয় বাংলার সংস্কৃতির ঐতিহ্যের ধারা দুই বাংলার টেলিভিশন দর্শকদের মাঝে তুলে ধরার জন্যই ‘বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর’। নাগরিক টিভিই প্রথম দুই দেশের শিল্পীদের নিয়ে কোনো নাচের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান করার উদ্যোগ নিল।

অনুষ্ঠানের মূল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও ভারত থেকে অংশগ্রহণ করেছেন ছয় জন করে মোট বারোজন তারকা। বাংলাদেশ থেকে যোগ দিয়েছেন টেলিভিশন অভিনেত্রী মৌনিতা খান ঈশানা, আশনা হাবিব ভাবনা, জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, অর্চিতা স্পর্শিয়া, অমৃতা খান ও সাফা কবির। আর কলকাতা থেকে রিমঝিম, সোহিনী, এনা সাহা, লাভলী, তিথি ও প্রীতি।

এই রিয়েলিটি শোয়ে আরও প্রতিযোগিতা করেছেন বড় পর্দার অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি, অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও জাকিয়া বারী মম। আর কলকাতা থেকে অংশ নিয়েছেন জি বাংলার রাশি সিরিয়ালের রাশি চরিত্রের অভিনেত্রী গিতশ্রী, বড় পর্দার অভিনেত্রী পায়েল ও ছোট ঋতুপর্না।

প্রতিটি পর্বে প্রধান বিচারক হিসেবে আছেন বাংলাদেশের ইলিয়াস কাঞ্চন ও কলকাতার এক সময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী ও বর্তমান ভারতীয় লোকসভার সংসদ সদস্য শতাব্দী রায়।

বিভিন্ন পর্বে বাংলাদেশ থেকে অতিথি বিচারক হিসেবে যুক্ত আছেন অভিনেত্রী মৌসুমী, অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর, অভিনেতা তৌকীর আহমেদ ও আব্দুন নূর সজল। অপরদিকে কলকাতা থেকে সংগীতশিল্পী জোজো, অনিন্ধ, শ্রীলেখা মিত্র ও নৃত্যবিশারদ তনুশ্রী শংকর।

অনুষ্ঠানের এমন সাফল্যে খুবই খুশি নাগরিক টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান কামরুজ্জামন বাবু বললেন, ‘ভেবেছিলাম, দর্শক অনুষ্ঠানটি গ্রহণ করবেন। আশা ছিল নতুন ধরনের এ উদ্যোগকে গ্রহণ করবেন দর্শক। সত্যিই খুব ভালো লাগছে। অনুষ্ঠান শুরুর পর থেকে দারুন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আবারও প্রমাণ হলো যে, অনুষ্ঠান ভালো হলে তা দর্শক গ্রহণ করেন।’

এদিকে ঢাকা থেকে অংশ নেওয়া প্রতিযোগী ভাবনা বললেন, ‘এক একটি পর্ব প্রচারিত হচ্ছে, আর দর্শকের কাছ থেকে পাচ্ছি নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া। আমাদের পরিশ্রম সার্থক মনে হচ্ছে।’

অপর প্রতিযোগী ইশানা বললেন,‘ এত যে সাড়া পাব, তা কিন্তু ভাবিনি। অপেক্ষা করছি আগামী দিনগুলোর জন্য।’
সামনের পর্বগুলোতে আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং পারফরম্যান্স প্রদর্শন করা হবে এ অনুষ্ঠানে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ