প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হাঁটতে গিয়েও শান্তি নেই ওবায়দুল কাদেরের!

আসাদুজ্জামান সম্রাট : শরীরটা ফিট রাখতে গিয়ে হাঁটতে বের হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কিন্তু হাটতে গিয়েও স্বস্তি পাচ্ছেন না দর্শণার্থীদের কারণে। অনেকটা ত্যক্ত-বিরক্ত হয়েই তিনি বলেছেন, ‘হাঁটতে গিয়েও শান্তি নেই’।

স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের সুনাম রয়েছেন। সরকারের মন্ত্রী হলেও তিনি থাকেন সংসদ ভবন এলাকায় একটি বাংলোতে। সাধারণত: এসব বাংলো চিফ হুইপ কিংবা হুইপদের নামে বরাদ্দ করা হয়ে থাকে। সংসদ ভবন এলাকাটি খুবই প্রিয় ওবায়দুল কাদেরের। ফলে তিনি সংসদ এলাকাতেই থাকেন।

প্রতিদিন সকালে তিনি হাঁটতে বের হন সংসদ ভবন এলাকায়। ওবায়দুল কাদেরের এই হাঁটতে বের হওয়ার খবরটি প্রায় সকলেরই জানা রয়েছে। আর বিপত্তিটা দেখা দিয়েছে এখানেই। প্রতিদিন তার এই প্রাত:ভ্রমণকালীন সময়ে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী আসেন তার সঙ্গে দেখা করতে। হাটতে হাটতেই সেরে ফেলে দরকারি কথাটি। এতোদিন বিষয়টি সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও সম্প্রতি এটি একটি উটকো ঝামেলায় পরিণত হয়েছে। ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করতে আসা দর্শনার্থীদের সামাল দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন সংসদের নিরাপত্তা রক্ষীরা।

সংসদ ভবন এলাকাটি সংরক্ষিত হওয়ায় এ এলাকায় যে কারো হরহামেশা প্রবেশের অধিকার নেই। ফলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে প্রতিদিনই বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে।

সাধারণত: জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় থাকা হুইপ, সংসদ সদস্যরা সকালে হাটতে বের হন। দলের সাধারণ সম্পাদককে পেয়ে সবাই তার সঙ্গী হন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রির পর থেকেই মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতা-কর্মীরা সকালেই চলে আসেন সংসদ ভবনে।

তারাও তার হাটার সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎটিও সেরে নিয়েছেন। কিন্তু গত দু’দিন ছিল অতিরিক্ত ভীর। মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন এমপিরা ইদানিং তার সঙ্গে নিয়মিত হাটছেন।

কেউ কেউ তার সঙ্গে হাটার ছবি ফেসবুকে শেয়ার করছেন।

বুধবার হাটার সময়ে এক সংসদ সদস্য ছবি তুললে তাকে ক্ষুব্ধ হন ওবায়দুল কাদের। তাকে ধমক দিয়ে থামিয়েও দেন। ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে হাঁটার সঙ্গী সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, হাটার সময়ে এ বিড়ম্বনা আমাদের বিব্রত করেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ