প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘যো আওয়ামী লীগ নেহি কারেগা উসকা শির কুচাল দেগা’

ফেসবুক : তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে বঙ্গবন্ধু লিখেছিলেন, ‘লিয়াকত আলী খান ঘোষণা করলেন, ‘যো আওয়ামী লীগ করেগা, উসকো শের হাম কুচাল দে গা।’

লিয়াকত আলী খান যদিও বলতেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, কিন্তু কোনো বিরুদ্ধ দল সৃষ্টি হোক তা তিনি চাইতেন না। তাঁর সরকারের নীতির কোনো সমালোচনা কেউ করুক তাও তিনি পছন্দ করতেন না। নিজের দলের মধ্যে কেউ বিরুদ্ধাচরণ করলে তাকেও বিপদে ফেলতে চেষ্টা করতেন …

তিনি জনগণের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নাই, একটা দলের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছেন। রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দল যে এক হতে পারে না, একথাও তিনি ভুলে গিয়ে ছিলেন।…লিয়াকত আলী খানের উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি না হতে দেয়া। ‘যো আওয়ামী লীগ করেগা, উসকো শের কুচাল দে গা’ — একথা একমাত্র ডিকটেটর ছাড়া কোন গণতন্ত্রে বিশ্বাসী কেউ বলতে পারে না।

আজকেও কি সেই অবস্থা নয় বাংলাদেশে? ‘যো আওয়ামী লীগ নেহি করেগা উসকা শির কুচাল দেগা, অথবা যো আওয়ামী লীগক সমালোচনা করেগা উসকা শির কুচাল দেগা’ ই তো আজকের শাসকদলের মূল রাজনৈতিক মিশন। যারা আওয়ামী লীগ করেনা তাদের জীবন তো দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছে।

শহীদুল আলমকে আজ ১০০ দিন ধরে কারাগারের অন্তরালে রাখা হয়েছে শুধু একটা আন্তর্জাতিক টেলিভিশনে সরকারের সমালোচনামূলক এক ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য। তাকে জামিনেও মুক্তি দেয়া হচ্ছেনা।

বঙ্গবন্ধুর সেট করে দেয়া স্ট্যান্ডার্ডে আজকের আওয়ামী লীগ কি সেই লিয়াকত আলীর দেখানো পথেই চলছে না?

(লেখক ও ব্লগার পিনাকী ভট্টাচার্য)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ