প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাবে বাম গণতান্ত্রিক জোট

ডেস্ক রির্পোট : ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাবে বাম গণতান্ত্রিক জোট। আজ মঙ্গলবার জোটের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাম জোটসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের দাবিসমূহ না মেনে তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে একতরফা নির্বাচনের ফাঁদ পাতা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন চলছে। একইসঙ্গে ওই ফাঁদে পা না দিয়ে আন্দোলনের অংশ হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয় ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম।

এ সময় সংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদের বজলুর রশীদ ফিরোজ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের আব্দুস সাত্তার, বাসদ (মার্কসবাদী)’র মানস নন্দী, গণসংহতি আন্দোলনের জুলহাস নাইন বাবু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের হামিদুল হক প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক, অর্থবহ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনের এক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সংলাপের শেষে প্রধানমন্ত্রীর মতামত জানানোর পর সংলাপের পরিসমাপ্তি ঘটবে ও নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হবে বলে আশা করেছিলাম। এটি না করে, সংবাদ সম্মেলন স্থগিত ও দ্রুত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা পুরো সংলাপ প্রক্রিয়াকে বিনষ্ট করে ফেললো। অন্য দাবি-দাওয়াগুলি গৌণ হয়ে রাজনীতি এখন তফসিলাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। আমরা বারবার বলেছি সরকারের অগণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক কূটকৌশল দেশের গণতান্ত্রিক বিকাশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। আমরা যে যুক্তিসংগত দাবি উত্থাপন করেছি তা কার্যকর করা ছাড়া অবাধ-গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচন সম্ভব নয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী সংগ্রামে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখতে চাই। কিন্তু তা নির্ভর করবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কার্মকাণ্ড ও আচরণের উপর। আমরা আশা করব সরকার ও নির্বাচন কমিশন তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা ও দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে সকল দল ও ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণ ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন না করার কারণ, তখন সেটা ছিল ‘নো’ নির্বাচন। আর এবারের নির্বাচন হচ্ছে ‘ব্যাড’ নির্বাচন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। কিন্তু নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকবে কিনা সে বিষয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীরা শোডাউনের মাধ্যমে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করছে বলে দাবি করেন বিপ্লরী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি আচরণবিধি লংঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ