প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তুর্কি অর্থ পাচারের অভিযোগে সুইস ব্যাংকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

নূর মাজিদ : সুইস ব্যাংকের বিরুদ্ধে ধনী তুর্কি গ্রাহকদের অর্থপাচারে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ কিছু তুর্কি ধনী ব্যবসায়ী যারা ব্যবসায় লোকসান করেছেন তাদের অর্থপাচারে সাহায্য করার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ক্রেডিট সুইসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন জেনেভাভিত্তিক অনুসন্ধানী দল। ২০১৩ সালে তুর্কি মুদ্রা লিরার দরপতনের প্রেক্ষাপটে ওই সকল গ্রাহকের লোকসান ঢাকতেই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকটিতে জমা রাখা হয়। ক্রেডিট সুইসের শীর্ষ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই কাজে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার সুইস দৈনিক টাগেস-আঞ্জেইগার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। এই ধরণের অর্থপাচার রোধে সুইস ব্যাংক আরও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারত কিনা তা তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন। তবে এই সকল অভিযোগ অস্বীকার করে ক্রেডিট সুইস বলছে তারা কোন অসাধুপন্থা অবলম্বন করেনি।

এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক বিবৃতির বরাত দিয়ে বলা হয়,‘ এই ঘটনার সকল দায় আইনি দায় অস্বীকার করে আমাদের ব্যাংক। এই ধরণের অমূলক অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমরা নিজেদের সর্বশক্তি ব্যবহার করব।’ অর্থপাচারের ইস্যুতে ব্যাংকটির প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তারা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমন বিবৃতি দেয়। এরপর জেনেভার তদন্তকারী দলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তাদের ইমেইল পাঠিয়েছে রয়টার্স। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে সুইস ব্যাংক প্রথম জানতে পারে, ব্যবসায় লোকসান করেছেন এমন তুর্কি ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যাংকে জমাকৃত আমানতে ৮ কোটি সুইস ফ্রাঁ সুদ এবং কমিশন বাবদ আয় করেছেন। এইভাবে সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা রেখে দেশটির বিনিয়োগকারীরা তুর্কি লিরার পতনকে আরও ত্বরান্বিত করেন। ২০১৬ সালে প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, এই অর্থপাচার কেলেঙ্কারির সার্বিক আকার প্রায় ৩০ কোটি সুইস ফ্রাঁ। রয়টার্স

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত