Skip to main content

বগুড়ার চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা বদলে গেছে

কান্তা আইচ রায় : বগুড়ার চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা বদলে গেছে গত কয়েক বছরে। সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ এবং হতদরিদ্রের মাঝে গরু, ছাগল অনুদান, দরিদ্রতাকে জয় করতে সহায়তা করেছে তাদের। তবে এর পরিধি আরো বাড়ানোর দাবি জনপ্রতিনিধিদের। বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তার মতে, সরকারের স্বদিচ্ছা এবং নিবিড় তদারকিতেই সম্ভব হয়েছে এসব মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন। বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলার চরাঞ্চলের মানুষের বছরের অর্ধেক সময়ই খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো। সন্ধ্যা হলেই জীবনযাত্রা থমকে যেতো। সে অবস্থার এখন পরিবর্তন হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি, সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সুবিধায় আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে এসব মানুষের মাঝে। স্বাদ পাচ্ছে আধুনিক জীবন যাত্রার। এছাড়া সরকারের অনুদানে হতদরিদ্ররাও স্বপ্ন দেখছে সুন্দর ভবিষ্যতের। সরকারের দেওয়া এসব সুযোগ সুবিধা চলমান থাকলেও চরাঞ্চলের সব দরিদ্র মানুষ তা পাচ্ছে না। তাই জনপ্রতিনিধিদের দাবি এসব সাহায্য সহযোগিতার পরিধি আরো বাড়ানো হোক। সারিয়াকান্দির কুর্ণিবাড়ী ইউপি সদস্য মোঃ আনিসুর রহমান খোকা বলেন, ‘বিশুদ্ধ পানির যে প্যানেলটা হয়েছে সেটা বাড়ি বাড়ি হলে মানুষ আরো সুবিধা পাবে।’ চরের দরিদ্র জনগোষ্ঠী মনিটরিং সঠিকভাবে হওয়ায় সরকারের অনুদানের টাকায় কাক্ষিত ফল পাচ্ছে । ভবিষ্যতে চরের সব দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার আশাবাদ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. এম এ মতিনের। তিনি বলেন, ‘৩ হাজার মানুষকে গরু এবং ছাগল আমরা দিচ্ছি। এই কর্মকাণ্ড আমরা ৬ হাজার মানুষের কাছে নিয়ে যাবো।’ দিনে যে পরিবারের রোজগার দু'শো টাকার নীচে এমন পরিবারগুলোকে শনাক্ত করে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি সারিয়াকান্দি এবং সোনাতলা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৩০টি চরে ৬ হাজার দারিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। সূত্র: সময় টিভি