প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভোটারপ্রতি নির্বাচনী ব্যয় আসলেই কী ৩ টাকা : দিলীপ কুমার সরকার

জুয়েল খান : সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার বলেছেন, সৎ, যোগ্য এবং জনকল্যাণে নিবেদীত মানুষকে খুঁজতে গিয়ে দেখি যে, তারা খুবই সামান্য সম্পদের মালিক। তারা নির্বাচনে সামান্য পরিমাণ খরচ করার মতো সামর্থ রাখে। কিন্তু আমাদের দেশে নির্বাচনী ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় এই মানুষরা নির্বাচন থেকে দূরে থাকে। রোববার রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

দিলীপ কুমার সরকার বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী দলীয় অনুদানসহ খরচ করতে পারবেন ২৫ লাখ টাকা। এতে বেশি ভোটারের এলাকায় ভোটারপ্রতি ব্যায় করতে পারবেন ৩ টাকা করে আর কম ভোটারের এলাকায় ব্যায় করতে পারবেন সর্বোচ্চ ১৪ টাকা। আসলেই কি এই সামান্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে নির্বাচন করা হয়, নাকি ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি। কমিশনের এই হিসাব শুধু হিসাবেই থেকে যায়, বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে।

তিনি বলেন, একসময় আমাদের রাজনীতিতে ত্যাগের সংস্কৃতি ছিলো, এখন ভোগের সংস্কৃতি চালু হয়েছে। নির্বাচনে প্রচুর পরিমাণ খরচ করে ভোটে জেতার পরে খরচের কয়েকগুন টাকা ইনকাম করবে। দিন যাচ্ছে আর রাজনীতিতে টাকাওলাদের আধিপত্য ততোই বাড়ছে। এর ফলে টাকার প্রভাব খাটিয়ে হঠাৎ করেই রাজনীতির মাঠে আসতে দেখা যাচ্ছে অনেক নতুন পয়সাওয়ালাদেরকে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ২০০৪ সাল থেকে রাজনৈতিক সংস্কার আন্দোলন শুরু করি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিলো নির্বাচনী ব্যয় কমানো। তাই তারা যাতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার করতে পারে সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো যে, প্রার্থীরা নিজেরা কোনো পোস্টার, বিলবোর্ড কিংবা লিফলেট ছাপাতে পারবে না। নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর পক্ষে সাদাকলো পোস্টার ছাপাবে এবং প্রার্থীদের হলফনামা নির্বাচন কমিশন প্রচার করবে। এছাড়া সকল প্রার্থীকে একইমঞ্চে এসে বক্তৃতা করতে হবে, সেই জায়গাটা নির্বাচন কমিশনই নির্ধারণ করে দেবে এবং ব্যয়ভার নির্বাচন কমিশন বহন করবে।

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে একটা মনিটরিংয়ের মধ্যে আনতে হবে। দলীয় একটা একাউন্ট থাকবে এবং সেখানে কোন উৎস থেকে কতোটাকা আয় কতোটাকা ব্যয় সেটার একটা হিসাব দিতে হবে। সূত্র: ডিবিসি নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত