প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অভিযানের পরও বন্ধ নেই অবৈধ বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে ধানী জমি

মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা : কুমিল্লার ভাঙ্গরা থানার ৭নং বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের ধনপতিখোলা গ্রামে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারনে শতাধিক হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গত সপ্তাহে স্থানীয় প্রশাসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর পরে আবারোও বালু উত্তোলন শুরু করেছে বলে জানা যায়। এ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মনে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফসলী জমি রক্ষার্থে কৃষকরা এখন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, কুমিল্লার ভাঙ্গরা থানার ৭নং বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের ধনপতিখোলা গ্রামে ফসলি জমির মাঠের মাঝে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন ৬নং বাঙ্গরা খামারগ্রামের ফিরোজ ব্যাপারীর ছেলে সৌকত মিয়া। গত দু’বছর ধরে ফসলী জমির মাঝখান থেকে সৌকত মিয়া ২০/২৫ লক্ষ ফুট বালি উত্তোলন করেন। এতে করে আশেপাশের প্রায় শতাধিক হেক্টর ধানী জমি নিচের দিকে ধেবে গিয়ে জলাশয়ে পরিনত হচ্ছে। ওই এলাকায় বছরে দু’বার ফসল উৎপাদনকারী কৃষকরা এখন জমি নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। যে হারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এতে করে আগামী বোরো মরসুমে এসব জমি পানির নিচে তলিয়ে যাবে। আর এ কারনেই ধান উৎপাদন করা নিয়ে চরম দূ:চিন্তায় রয়েছে সহ¯্রাধিক কৃষক।

বালু উত্তোলনের মাধ্যমে কৃষকদের জমি নষ্টের বিষয়ে জানতে চাইলে ৭নং বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন জানান, আমি বহুবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বালু উত্তোলনকারীরা উল্টো আমাকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে আমি স্থানীয় প্রশানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

জানা গেছে, স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুরাদনগর ভূমি কর্মকর্তা মো:রায়হান মেহবুব জানান, গত সপ্তাহে অভিযান তিনি পরিচালনা করে পাশের এলাকায় তিনটি ড্রেজার মেশিন নষ্ট করেছেন। এছাড়াও মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে একজনকে নিয়মিত মালায় থানায় পাঠিয়েছেন।

ভূমি কর্মকর্তা রায়হান মেহবুব জানান, ওই এলাকায় যেন আর এভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি উত্তোলন করা না হয় সে জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমানকে বলে এসেছি। এখন আবার যদি কেউ এভাবে বালু উত্তোলন করে এবং এ বিষয়ে অভিযোগ করে তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠির বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ