Skip to main content

এনবিআরের সনদ ছাড়া নির্বাচনে অযোগ্যের প্রস্তাব

সাজিয়া আক্তার : কর পরিশোধে সক্ষম ব্যক্তিক নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে এনবিআরের সনদ লাগবে। সনদ ছাড়া তাকে নির্বাচনে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে না। প্রস্তাব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর। প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমার আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে আয়কর পরিশোধ সংক্রাস্ত সনদপত্র এবং আয়কর বিবরণীর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সুত্র : আরটিভি প্রার্থী যে কর অঞ্চলের আওতায় পড়ছেন, তাকে সেখানকার কর কমিশনারের কাছ থেকে এসব সনদপত্র নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী এনবিআরের পাওনা রাজস্বের ২৫ শতাংশ পরিশোধ করলে এবং বাকিটা পরিশোধের সময় জানিয়ে এনবিআরের কাছে অঙ্গীকার করলে সনদ দেয়া হবে। তবে ১৩ নভেম্বর শুরু হওয়া আয়কর মেলায় গিয়ে কর পরিশোধ করলে পাওনা রাজস্বের ২০ শতাংশ পরিশোধ করলেই হবে। এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, অনেকে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব বকেয়া রেখে নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন। করযোগ্য নয় বলে অনেকে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন। রাজস্ব পরিশোধে বাধ্য করতে এবং স্বচ্ছতা আনতে জরুরি ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে রাজস্ব আদায়ে এনবিআর আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম এরই মধ্যে গণমাধ্যমে এসেছে। এর বাইরেও অনেকে প্রার্থী হবেন। গত ৩ অক্টোবর এনবিআর করনীতি শাখা থেকে নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে হালনাগাদ রাখতে বিভিন্ন কর অঞ্চলে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এতে প্রার্থীদের রাজস্ব পরিশোধসংক্রান্ত তথ্য এনবিআর সংশ্লিষ্টরা সহজে খতিয়ে দেখতে পারবেন। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বলেন, এনবিআর কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এ কাজ করছে না। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের লক্ষ্যেই এনবিআর এ ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে নতুন নতুন কৌশল গ্রহণে এনবিআর চেষ্টা করছে। সুতরাং প্রার্থীদের এনবিআর সনদ বাধ্য করা হলে কেউ রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে কিনা তা যাচাই করা সহজ হবে।

অন্যান্য সংবাদ