প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্ত্রীকে ডাবল সেঞ্চুরি উৎসর্গ মুশফিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক : মিরপুরের মাঠে দ্বিশতক হাঁকিয়েই ব্যাট ছুঁড়ে ফেলে হাত মুঠো করে লাফিয়ে উঠলেন। এরপর গ্যালারির দিকে তাকিয়ে কাকে যেন হৃদয় চিহ্ন দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। তারপর সিজদা করে স্মরণ করলেন পরম করুণাময়কে। ম্যাচ শেষে মুশফিকুর রহিমের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তার উদযাপন নিয়ে। জানালেন, ডাবল সেঞ্চুরিটা উৎসর্গ করেছেন তার স্ত্রী জান্নাতুল কেফায়াত মন্ডিকে।

মুশফিকের জন্য এই ইনিংসটা ছিল অন্যরকম। ক্যারিয়ারে ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছেন আগেও, বাংলাদেশের হয়ে এই কীর্তি তারই প্রথম। তবে মিরপুরে আগে কখনো সেঞ্চুরি ছিল না মুশফিকের, এই মাঠে ডাবল সেঞ্চুরি ছিল না বাংলাদেশের কারও। মুশফিক তাই বলেন, নিজের আবেগের প্রকাশটা এবার একটু বেশিই ছিল,

‘আর সেলিব্রেশন যদি বলেন, এই ইনিংসটি আমি আমার স্ত্রীকে উৎসর্গ করেছি। ইনিংসটা অনেক স্পেশাল ছিল এবং ও আমাকে অনেক অনেক ইন্সপায়ার করেছে, ইভেন কালকেও আমাকে অনেক ইন্সপায়ার করেছে। আর ২০১০ সালে আমার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি, বিশেষ করে এই মাঠে আমার প্রথম সেঞ্চুরি। এটা আমার ক্ষেত্রে মাইলফলক ছিল। চেষ্টা থাকবে এটার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার।’

মিরপুরে সেঞ্চুরি না পাওয়া ও এই ম্যাচেই শতক ও দ্বিশতক পাওয়ার পর আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘বেশির ভাগ খেলোয়াড়ের হোম গ্রাউন্ডে ভালো রেকর্ড থাকে, কিন্তু মিরপুরে আমার একশ ছিল না। আমি খুব করে চাচ্ছিলাম যেন একশ হয়। আর আমরা এই সিরিজে পিছিয়ে আছি। সবকিছু মিলে এটার বহিঃপ্রকাশ।

আর আজকেরটা (সোমবার) আগে থেকেই প্ল্যান ছিল ওই জায়গায় যেতে পারলে আমার স্ত্রীকে উৎসর্গ করব। কারণ এটা আসলেই স্পেশাল। আমার জীবনে ওর অবদান অনেক বেশি। বাচ্চার পর তো আরও বেশি। আর আমার ফোনের ওয়ালপেপারে ওর ছবি। একটু হাসি দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। সবকিছু মিলে আলহামদুলিল্লাহ।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ