প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এক এগার সময়ে ভূমিকা বলতে হবে

আবুল বাশার নূরু: এক যুগ আগে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রাজনৈতিক অবস্থান ও ভূমিকা কী ছিল তা মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে জানতে চেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরমে প্রার্থীর বিবরণীর একটি ঘরে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি পরবর্তী সময়ের ভূমিকা লিখতে বলা হয়েছে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মনে করছেন, জরুরি অবস্থার মধ্যে দলের দু:সময়েও যারা সক্রিয় ছিলেন, তাদের মূল্যায়নের জন্যই ফরমে ওই ঘর রাখা হয়েছে এবার। তারা জানান, সর্বশেষ ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরমে এ ধরনের কোনো ঘর ছিল না। এবারের ফরমে বিষয়টি নতুন যোগ করা হয়েছে।
এক এগার ছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী বা তার পরিবারের ভূমিকা এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর ভূমিকা কী ছিল তা মনোনয়ন ফরমে লিখতে হচ্ছে।

২০০৬ সালে বিএনপির শাসনকাল অবসানের পর রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ওই অবস্থায় ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন তিনি। এরপর দায়িত্ব নেয় ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ওই ঘটনা চিহ্নিত হয়ে আছে ওয়ান-ইলেভেন হিসেবে। দুই বছর পর নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফেরে, বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

ওয়ান ইলেভেন এর ওই পটপরিবর্তনের পর রাজনীতিতে নানা ভাঙা-দল গড়ার খেলা দেখতে পায় বাংলাদেশের মানুষ। সে সময় আওয়ামী লীগ-বিএনপির দুই নেত্রীকে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা পরিচিতি পায় ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ হিসেবে।

এর ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে সংস্কারের প্রস্তাব তোলেন কিছু নেতা, তারা পরে চিহ্নিত হন সংস্কারপন্থি হিসেবে। আর অন্য একটি অংশ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য ধরে রেখে হাল ধরে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যান। সম্পাদনা: মাহাবুব আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ