Skip to main content

নেটমিটারিং-এ জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ দিতে সফল আরইবি

শাহীন চৌধুরী: নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিদ্যুৎ নেটমিটারিং-এ মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডে দিতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)। অবশ্য অন্য বিতরণ কোম্পানিগুলো ব্যর্থ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রবিবার (১১ নভেম্বর) বিকালে বিদ্যুৎ ভবনে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়।বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, গত দুই মাস আগে ২০ জন গ্রাহককে নেট মিটারিংয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্য বেঁধে দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। শুধু আরইবি এই লক্ষ্য পূরণ করে জাতীয় গ্রিডে দুই দশমিক ছয় মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করেছে। আর অন্য ৫ বিতরণ কোম্পানিগুলো মিলে মাত্র ৪০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি বিতরণ কোম্পানি ১০০ কিলোওয়াটের নিচে বিদ্যুৎ যোগ করতে পেরেছে। বৈঠকটিতে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস শহর এলাকার বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিকে তাদের ব্যর্থতার কারণ খুঁজে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে কোম্পানিগুলোকে আগের লক্ষ্যমাত্রা ২০ জন গ্রাহক থেকে বাড়িয়ে ২৫ জন নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আরইবি এলাকার গ্রাহক নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেও শহরের অপেক্ষাকৃত সচ্ছল শ্রেণীর গ্রাহক কেন আসছে না তা বৈঠকে জানতে চান বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। তিনি বলেন, গ্রাহক কেন নেট মিটারিংয়ে যুক্ত হচ্ছে না কোম্পানিকে খতিয়ে দেখতে হবে। বিতরণ কোম্পানিগুলোকে নেট মিটারিংয়ে যুক্ত করতে না পারায় সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা রয়েছে বলে বৈঠকে ইল্লেখ করা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) তিনটি; ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি ডেসকো, ওয়েস্ট পাওয়ার জোন (ওজোপাডিকো) ও নর্দান পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (নেসকো) একজন করে গ্রাহককে নেট মিটারিংয়ের আওতায় এনেছে। আর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) কোনও গ্রাহকে নেট মিটারিংয়ের আওতায় আনতে পারেনি। এ ব্যাপারে পাওয়ার সেলের পরিচালক আবদুর রউফ বলেন, নেট মিটারিং সিস্টেমে আরইবি ২০ জন গ্রাহক সৃষ্টি করেছে। এতে তারা দুই দশমিক ছয় মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ করেছে। অন্য কোম্পানিগুলো মিলে ৪০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ নেট মিটারিং থেকে আনতে পেরেছে। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান জানান, আগে আমাদের ২০ জন গ্রাহককে নেট মিটারিংয়ের আওতায় আনার লক্ষ্য দিয়েছিল। এখন তা বাড়িয়ে ২৫ জন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, নেট মিটারিং পদ্ধতিতে গ্রাহক নিজের আঙ্গিনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ব্যবহার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করে। যখন গ্রাহকের নিজের উৎপাদিত বিদ্যুৎ থাকবে না, ওই সময় তাকে গ্রীড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এতে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় হবে। আবার সরকারের তহবিল থেকেও কোনও অর্থ খরচ হবে না।

অন্যান্য সংবাদ