Skip to main content

সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞায় আ.লীগ উদ্বিগ্ন : শ ম রেজাউল করিম

জুয়েল খান : আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ করার ওপর নির্বাচন কমিশন যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এটা নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রোববার রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মধে এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে যে, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী প্রচারনার জন্য তাদের কৃতকর্ম, তাদের দলের ইশতেহার, তাদের প্রতিশ্রুতিকে মানুষের মাঝে তুলে ধরার জন্য সুযোগ দিতে হবে। এমন কোনো আচরণবিধি দেয়া উচিত না যাতে রাজনৈতিক দলগুলো নিজের কথা বলার সুযোগটি না পায়। তাই আমরা ভাবছি নির্বাচন কমিশনের সাথে আলাপ আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। রেজাউল করিম আরো বলেন, ড. কামাল হোসেন সংবাদ সম্মেলন করে যে কথা বলেছেন, ঐক্যফ্রন্টের সভা-সমাবেশে বাধা দেয়া হয়েছে এবং আবারো গণহারে গ্রেফতার কার হয়েছে: একথা সত্য নয়, এটা একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক কথা। ঢাকা এবং রাজশাহিতে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে গাড়ি বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠছে সরকারের বিরুদ্ধে এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরাও চাই বিরোধীদলগুলো নির্বাচনের সামনে সভা-সমাবেশ করে দেশে একটা নির্বাচনী আমেজ নিয়ে আসুক। আমরা কোনো ভাবেই বিরোধীদলের সমাবেশে গাড়ি বন্ধ করিনি। এটা একটা মিথ্যা প্রচার। পরিবহন শ্রমিক সংগঠগুলো তাদের নিজেদের দাবিদাওয়ার কারণে গাড়ি বন্ধ করে, এখানে সরকারের কোনো ধরনের ভূমিকা থাকে না। রেজাউল করিম আরো জানান, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো ধরনের হয়রানিমূলক গ্রেফতার কিংবা প্রচারনায় বাধাদেয়ার উদ্দেশ্য সরকারের নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন নির্বাচনের সময় প্রতেকটা রাজনৈতিক দল আইনসংগতভাবে তাদের সভা,সামাবেশ,প্রচার-প্রচারনা করবে এতে সরকার বাধাদেবে না। আইন তার নিজের গতিতে চলবে, সরকার কাউকে পৃষ্ট্রপোষকতা দিয়ে, মদত দিয়ে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছে না। তিনি জানান, বিএনপি সরকারের কাছে গ্রেফতারের যে তালিকা দিয়েছে, সেই তালিকা অনুযায়ী সারাদেশ থেকে মামলার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা দেয়াহয় তাহলে অবশ্যই সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে বিএনপি যে তালিকা দিয়েছে সেখানে শুধুমাত্র মামলার নাম্বার দেয়া হয়েছে, মামলার কপি দেয়া হয়নি তাই এই নাম্বারের উপর ভিত্তি করে সকল থানাগুলোতে যোগাযোগ করে মামলার কপি সংগ্রহ করা, সেটা পড়ে দেখা তারপর মতামত দিতে নিশ্চয় সময় লাগবে। তবে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ