প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রত্যাবাসনের আগে মিয়ানমারে পূর্ণ প্রবেশাধিকার দরকার : যুক্তরাষ্ট্র

তরিকুল ইসলাম : রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য এখনও সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোর আগে সেখানকার পরিস্থিতি বোঝার জন্য মিয়ানমারে পূর্ণ প্রবেশাধিকার দরকার বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

রোববার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে এমনটাই জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শরণার্থীদের ফিরে যাওয়া স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই করতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক বিধান মেনে চলার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অপরিণত প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আমরা উভয় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের কাছে আমাদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। এজন্য রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদান, চলাফেরার স্বাধীনতা, জীবিকার অধিকারসহ আনান কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা জরুরী। রাখাইন রাজ্যে সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা সমাধান করার জন্য গঠনমূলক ভূমিকা পালনের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এর আগে মিয়ানমারের বাংলাদেশে কর্মরত ৪২টি এনজিও এক যৌথ চিঠিতে রোহিঙ্গাদের তাড়াহুড়ো করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সতর্ক করেছে। এনজিওগুলোর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল রেডক্রস কমিটি, অক্সফাম ও সেভ দ্য চিলড্রেনও রয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে শরণার্থীদের জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো জবরদস্তিবিরোধী নীতিমালার লঙ্ঘন হবে। কারণ সেখানে তাদের জীবন ও নিরাপত্তার কঠিন ঝুঁকি রয়েছে।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবে জাতিসংঘ। এছাড়া আগামী ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে বলে আশা করছে সরকার। ঢাকায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রোহিঙ্গাদের যে তালিকা হস্তান্তর করা হয়েছে, সেই তালিকা একইদিন জাতিসংঘের শরণার্থী অফিসকেও হস্তান্তর করা হয়েছে। তাই এটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কোনো কারণ নেই।

মিয়ানমারকে ২২ হাজার ৪৩২ জন রোহিঙ্গার নতুন তালিকা হস্তান্তর করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে বাড়ি-ঘর তৈরির কাজে সহায়তা করছে ভারত ও চীন। ভারত সেখানে ২৮৫টি আর চীন ১ হাজার বাড়ি-ঘর তৈরি করেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ