Skip to main content

নির্বাচনী মাঠে সরব ব্যবসায়ীরা

আরিফুর রহমান তুহিন: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে মনোনায়ন ফরম বিক্রি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনায়ন বিক্রি শেষের দিকে হলেও বিরোধী জোট রোববার নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আর নির্বাচনে প্রার্থীতা পেতে রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। একাধিক ব্যবসায়ি জানান, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও সংসদে থাকা প্রয়োজন। সরকার ও বিরোধী দলে ব্যবসায়ি ও উদ্যোক্তাদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহন থাকলে দেশের অর্থনীতি দ্রুত ত্বরান্বিত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশের ব্যবসার স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক শক্তিকে নিজেদের ব্যবসার কাজে না লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে ব্যবহার করা উচিত। তারা রাজনীতিতে বিচরণ করলে রাজনীতির মূল ধারা ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দলের মনোনয়ন পেতে জোরালো চেষ্টা করছেন নতুন ও পুরোন অনেক নেতারা। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই থেকে শুরু করে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এমনকি বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক খাতের শীর্ষ পর্যায়ের শতাধিক ব্যাক্তি এখন রাজনৈতিক মাঠে বেশ সরব। সংসদ সদস্যদের দেয়া নির্বাচনী হলফ নামা থেকে জানা যায় দশম জাতীয় সংসদে ৩০০ সাংসদের মধ্যে ২০৬ জনের পেশাই ব্যবসা। ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ব্যবসায়ীরা কি করতে পারে সংসদ সদস্য হলে! একটা জায়গা ৫ টি শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে পারে। ব্যবসায়ীদের যদি রাজনীতিতে নিয়ে আসা হয় তাহলে তারা সেখানেও ভাল কর্ম করে দেখাতে পারবে। এফবিসিসি আইয়ের পরিচালক তোসাদ্দেক হোসেন খান টিপু বলেন, নিজের প্রজ্ঞা মেধা দিয়ে সে কিন্তু এগিয়ে যায়। এই মেধা যদি দেশের কাজে লাগানো যায় তাহলে ব্যবসায়ীরা অনেক বেশি কাজ করতে পারবেন। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের মধ্যে ১৫ শতাংশ ছিলেন ব্যবসায়ী। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের মধ্যে ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেড়ে দাড়ায় ৩৫ শতাংশে। সব শেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনের ব্যবসায়ী এমপির হার ৬৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।  

অন্যান্য সংবাদ