Skip to main content

বিশ্বের প্রথম ‘কোয়ান্টাম’ কমপ্যাস তৈরি করল ব্রিটেন

রাশিদ রিয়াজ : মিলিয়ন মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড খরচ করার পর ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ‘কোয়ান্টাম’ কমপ্যাস তৈরি করেছে যার সাহায্যে উপগ্রহ নির্ভর জিপিএস ব্যবস্থা ছাড়াই নৌপথে চলাচলের গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করা যাবে। ব্রিটিশ কোয়ান্টাম প্রযুক্তি প্রকল্পের অধিনে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের একদল বিজ্ঞানী বলছেন, তাদের তৈরি এধরনের কোয়ান্টাম কমপ্যাস পৃথিবীর যে কোনো স্থানে কোনো কিছুর অস্তিত্ব খুঁজে বের করতে সক্ষম এবং এজন্যে উপগ্রহের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হবে না। ফিনান্সিয়াল টাইমস ইম্পেরিয়াল কলেজের সেন্টার ফর কোল্ড ম্যাটার’এর গবেষক জোসেফ কটার বলেন, কোয়ান্টাম কমপ্যাস সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিজস্ব সক্ষমতায় কাজ করবে। দীর্ঘসময় ধরে নৌপথে কোনো বিশাল জাহাজ যদি চলাচল করে তাহলে দিকনির্ণয়ে এধরনের কমপ্যাস খুবই কাজে লাগবে। এজন্যে কোনো আগাম তথ্য প্রেরণ বা গ্রহণ করতেও হবে না। পারমানবিক সাবমেরিনে ব্যবহারের জন্যে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এধরনের কমপ্যাস তৈরির জন্যে মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ডের প্রকল্প গ্রহণ করেছিল। বর্তমানে যে কুড়িটি উপগ্রহের সাহায্যে জিপিএস ব্যবস্থাপনায় অবস্থান নির্ণয় পদ্ধতি রয়েছে তা যুক্তরাষ্ট্রের তদারকিতে থাকায় পুরো বিষয়টি অজানা থাকে না। সামরিক দিক থেকে জিপিএস নির্ভর চলাচলে কোনো গোপনীয়তা থাকে না যা কোয়ান্টাম কমপ্যাস ভিত্তিক যাতায়াতে বজায় রাখা সম্ভব হবে। কটার বলেন, জিপিএস ব্যবস্থাপনায় উঁচু ভবন বা পরিবেশগত কারণে পুরোপুরি অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কেউ ইচ্ছা করলে এ ব্যবস্থায় বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু কোয়ান্টাম কমপ্যাস বস্তুর গতি পরিবর্তন পরিমাপে সক্ষম ও কোন বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে তা চিহ্নিত করতে পারে বিধায় এর নজর এড়ানো সম্ভব নয়। তাছাড়া প্রচ- ঠান্ডার মধ্যে কোয়ান্টাম কমপ্যাস সক্রিয় থাকে। এমনকি জলদস্যুদের চোখ ফাঁকি দিতে এধরনের কমপ্যাস বিশেষ উপোযোগী।

অন্যান্য সংবাদ