প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঋণখেলাপিদের জন্য দুই ধরনের বিধান

ডেস্ক রিপোর্ট : কোনো কম্পানির পরিচালক বা ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হিসেবে কোনো প্রার্থী ঋণখেলাপি হলে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগমুহূর্ত পর্যন্ত পরিশোধের সুযোগ পাবেন। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে আগের মতোই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সাত দিন আগেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। ব্যক্তিগত টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্য কোনো সরকারি সেবা প্রদানকারী সংস্থার বিলও সাত দিন আগেই পরিশোধ করতে হবে। না হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হওয়া যাবে না।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনে ঋণখেলাপি সবার জন্য সাত দিন আগের পরিবর্তে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন পর্যন্ত খেলাপি ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে আরপিওর ১২ অনুচ্ছেদের (ড) উপ-অনুচ্ছেদটিই শুধু সংশোধন করা হয়েছে। ঋণ ও বিল খেলাপ বিষয়ে (ঠ) ও (চ) উপ-অনুচ্ছেদ দুটি অপরিবর্তিতই রয়েছে। সম্ভবত অসাবধানতাবশত এ দুটি উপ-অনুচ্ছেদ সংশোধনের বাইরেই থেকে গেছে। এ অবস্থায় এবারের সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন ঋণখেলাপি কম্পানি বা ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বা অংশীদাররা। কোনো ব্যাংক থেকে কৃষিকাজের জন্য নেওয়া ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে খেলাপিরা আগের নিয়মেই এ বিধানের বাইরে থাকছেন। কিন্তু অন্য ঋণ ও বিলখেলাপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সাত দিন আগেই তা পরিশোধ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এই অন্যদের জন্য খেলাপি ঋণ ও বিল পরিশোধের শেষ সময় আগামীকাল সোমবারই।

নির্বাচন কমিশন গতকাল শনিবার রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠানো একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতাসংক্রান্ত পরিপত্রেও বিষয়টি উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ১২ নভেম্বরের মধ্যে এসব ঋণ ও বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে না।
সূত্র : কালের কন্ঠ