প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাস থেকে বৃদ্ধ বাবাকে ফেলে মেয়েকে খুন,ধরা পড়েনি কেউ

মাসুদ আলম : আশুলিয়ায় চলন্ত বাস থেকে বৃদ্ধ বাবাকে নামিয়ে দিয়ে মেয়ে জরিনা খাতুনকে (৪৫) হত্যার অভিযোগ উঠেছে চালক ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে। হত্যার পর জরিনার লাশ মহাসড়কের পাশেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে শুক্রবার গভীর রাতে টাঙ্গাইল মহাসড়কের মরাগাং এলাকা থেকে জরিনার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার নিহতের জামাতা নূর ইসলাম বাদি হয়ে আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন। বাস ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে জরিনার মেয়ে একটি সন্তানের জন্ম দেন। নাতিকে দেখতে জরিনা তার বৃদ্ধ বাবা আকবর আলী মণ্ডলকে (৭০) নিয়ে শুক্রবার দুপুরে মেয়ের বাড়ি আশুলিয়ার গাজীরচট মুন্সিপাড়ায় বেড়াতে যান। বিকেল পাঁচটার দিকে তারা সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে মেয়ের বাড়ি থেকে বের হন। জরিনা খাতুনের ভাই স্বপন সাড়ে পাঁচটার দিকে তাদের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ইউনিক বাসস্ট্যান্ডে টাঙ্গাইলগামী একটি বাসে তুলে দেন। বাসের নাম তারা জানাতে পারেননি। বাসে ওই সময় যাত্রীর আসনে কয়েকজন বসে ছিলেন। পুরো বাসটি প্রায় ফাঁকা ছিল। বাসটি টাঙ্গাইলের দিকে যাওয়ার কথা থাকলেও তা ঘুরে উল্টো দিকে গেছে। পথে বাসের লোকজন তাদের মারধর করে মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা কেড়ে নেয়। আর বাসটি বিভিন্ন স্থান ঘুরে আশুলিয়া ব্রিজের কাছে নিহতের বাবাকে ফেলে দিয়ে যায়। পরে নিহতের বাবা টহল পুলিশকে ঘটনা জানালে তারা প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মরাগাং এলাকায় মহাসড়কের পাশে জরিনার লাশ খুঁজে পায়। জরিনা সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী থানার খাস কাওলিয়া গ্রামের মহির মোল্লার স্ত্রী।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়েছে। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কি না তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই জানা যাবে। নিহতের বাবা বাসটির নাম বলতে পারছেনা। তবে বাস, চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। বাসটিতে যারা ছিল, তারা হয়তো যাত্রীবেশে দুর্বৃত্ত ছিল। সম্পাদনা: মাহবুব আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত