প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী মাঠে সরব অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

সাইদ রিপন : নৌকার পক্ষে ব্যতিক্রমী প্রচারণা চালিয়ে আলাচনায় এসেছেন যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আাসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক বিদ্যুত জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। মোবাইলে এসএমএস, ভয়স এসএমএসসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্রচারণায় সরকারের উনয়ন অগ্রগতির কথা নির্বাচনী এলাকার ঘরে ঘরে পৌঁছে  দিচ্ছেন। দৈনিক আমাদর সময় ডটকমের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলছেন, তার স্বপ্নের কথা। জনকল্যাণ পরিকল্পনার কথা।
ব্যতিক্রমি ধরণের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয় নির্বাচনী এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি। নানাভাবে সরকারের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। শোকের মাস আগস্টে ৫০ হাজার নেতাকর্মীকে মোবাইলে ভয়েস এসএমএসের মাধ্যমে শোক দিবসের বার্তা দিয়ে চমক দেন নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণকে।

এরপর ২৯ আগস্টে চৌগাছা-ঝিকরগাছা উপজলার প্রায় এক লাখ ব্যক্তিকে মোবাইল ভয়েস এসএমএসে শোক দিবসের কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনর জন্য ধন্যবাদ জানান। সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের মধ্যে সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য তুলে ধরতে ‘তথ্য পত তথ্য দিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৫ সেপ্টেম্বর ঝিকরগাছা এবং ২৯ সেপ্টেম্বর চৌগাছায় মোবাইল অ্যাপস ভিত্তিক প্রচারণা কার্যক্রম উদ্বোধন করে প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিদিনই দুই উপজেলার সব গ্রামে তিনি গণসংযাগ করছেন।

এসব গণসংযোগ ও কর্মীসভায় অংশ নিতে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে এলাকাবাসীক আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। এসব কার্যক্রম নির্বাচনী এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সময় একটি নম্বর থেকে একই এলাকার হাজার হাজার মোবাইল গ্রাহকের কাছে নিমন্ত্রণ পৌঁছে যাওয়ায় গ্রামের মানুষদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তারা বলেছেন এটাই শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের বড় প্রমাণ।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যেই বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সাফল্য প্রচারে ২০১২ সালের দেয়াল লিখন ও পোস্টার লাগানো আইন মেনে দুই উপজলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়াও উপজলা পরিষদ ও পৌরসভায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিকট নিজস্ব প্যাডে আবেদন পূর্বক অনুমতি নিয়ে ব্যতিক্রমী ব্যানার উত্তোলন করা হয়েছে। এসব ব্যানারে সরকারের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সাফল্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। যা জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
পহেলা নভেম্বর দেশের মোট ১০৬টি উপজলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেছেন। এর মধ্যে চৌগাছা-ঝিকরগাছা উপজেলাও ছিল। এ বিষয়ে তিনি দুই উপজলার এক লাখ বিশ হাজার ৭শত ৪৩ জন গ্রাহকের মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা জানিয়ে এসএমএস করেন। বার্তায় তিনি লিখেন ‘‘আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চৌগাছা ও ঝিকরগাছা উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের শুভ উদ্বোধনে এলাকাবাসীর মত আমিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।” একই সাথে আমি চৌগাছা ঝিকরগাছাবাসীর প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন মহানুভবতার জন্য দুটি উপজলাবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও তার দীর্ঘায়ূ কামনা করছি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু”। এমনিভাবে সরকার নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রতিদিন নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের নিকট পৌঁছ দিচ্ছেন তিনি।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থেকেছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠন করেছি। আমি নিজেও সক্রিয় একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭৯ সাল থেকে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে নির্বাচন করেছি। ১৯৯১ সালের ৫ম সংসদ নির্বাচিত হয়ে বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে এমপি হয়ে বিদ্যুত জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করি। রাজনীতির মানুষ হিসব সুস্থ্যধারার রাজনীতি করেছি। এলাকার জনসাধারণর জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়েছি।

তিনি বলন, দলীয় মনানয়ন পেলে নির্বাচন করব। না পেলে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবো। নির্বাচিত হলে মানুষকে শান্তিতে রাখব। আমার সময় কেউ বঞ্চিত হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না। নির্বাচনী এলাকার মানুষ আমাকে অত্যান্ত ভালবাসেন। তারা আমার প্রচারণায় বিপুল সাড়া দিচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন পেলে আসনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাক উপহার দিত চাই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ