প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ভোট না দেয়ার অাহ্বান সেক্টর কমান্ডরস্ ফোরামের

জাফরুল অালম : অাসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ভোট না দেবার অাহ্বান জানিয়েছে সেক্টার কমান্ডরস্ ফোরাম- মুক্তিযুদ্ধ ৭১। তারা বলেন, নির্বাচনে যেই দলই বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে তারা যেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হয়। অার যারাই বিরোধীদলে থাকবে তারাও যেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হয়। তাই দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের ভোট না দেবার অাহ্বান জানান তারা।

শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ও নির্বাচন ২০১৮’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ড. কামাল, রব, মান্নার সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, তারা মুক্তিযোদ্ধা হয়েও ঐক্যফ্রন্ট করে ২০ দলীয় জোটকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সংবিধান প্রণেতা ও মুক্তিযোদ্ধা হয়ে তারা ঐক্যফ্রন্ট করেছেন। তারা কখনোই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হতে পারে না। তাদের অাসল উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্ষমতার লোভ। তা না হলে তারা এভাবে স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে ঐক্যফ্রন্ট করতো না।

এ সমম তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বলতে রব, ড.কামালকেও বুঝায়। তাই সরাসরি বলতে হবে অাগামী নির্বাচনে অাওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। অাওয়ামী লীগই নির্ধারণ করবে কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, অার কে বিপক্ষে।

তারা বলেন, নির্বাচনে শুধু জয়লাভ করলেই হবে না। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই জয়লাভ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের শক্তি হচ্ছে শেখ হাসিনা। তাই তাঁর সরকারকে জয়লাভ করাতে পারলেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন হবে।

তারা অারও বলেন, দেশে প্রায় ১০ কোটি ৮০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে নতুন প্রজন্ম রয়েছে। এ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে হবে। তারা যেন সঠিক ইতিহাস জানতে পারে এজন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে তাদের সাথে অালোচনা করতে হবে।

নাগরিক সংলাপ থেকে জানানো হয়, এর অাগে চট্টগ্রামে তাদের প্রথম সংলাপ হয়েছে। অাজ ঢাকায় হচ্ছে এবং দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরের এ সংলাপ হবে। যাতে করে দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ভোট দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ খলিকুজ্জামান বলেন, ৯ মাসের যুদ্ধের ফলে স্বাধীনতা পেয়েছি। অাজ স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও অামরা কেন স্বাধীনতাবিরোধীদের নিয়ে অালোচনা করি? অামরা তো অালোচনা করবো শিক্ষা-স্বাস্থ্য নিয়ে। এ সমস্যা অামাদের বহু অাগেই সমাধান করা উচিত ছিলো।

তিনি বলেন, অামাদের একমাত্র কাজই হচ্ছে স্বাধীনতাবিরোধীরা যেন নির্বাচিত হতে না পারে। যে কোন মূল্যেই হোক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় অানতে হবে।

লে. কর্নেল অাবু ওসমান চৌধুরির সভাপতিত্বে ও সাবেক রাষ্ট্রদূত অানোয়ার উল অালমের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবাদ ড. কাজী খলিকুজ্জামান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, ঢাবির সাবেক উপাচার্য অা অা ম স অারেফিন সিদ্দিক, জাবির সাবেক ভিসি ড. অানোয়ার হোসেন, রোকেয়া কবির, ড. সারোয়ার অালী, লায়লা হাসান, মাহফুজা খানম প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ