প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপির সময় ২৪ ঘণ্টা!

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির হাতে সময় মাত্র ২৪ ঘন্টা। এই সময়ের মধ্যেই নির্বাচনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিএনপিকে। ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’এবং পুরোনো জোট ‘২০ দল’-কে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে যেতে চাইলে আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী জোটগতভাবে নির্বাচনের জন্য প্রতীক বরাদ্দের জন্য তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৩ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। সেই হিসেবে আগামীকাল এর শেষ দিন।

শুক্রবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেছেন, জোটগতভাবে নির্বাচন করতে চাইলে তিন দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে।

কিন্তু একক বা জোটগতভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে শনিবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের কথায় জানায়নি বিএনপি। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আজ বিকেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে দলটি। সে বৈঠকেই নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির যে বৈঠক হয়, সেই বৈঠকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও নীতিগত সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। কিন্তু বিএনপি যেহেতু ২টি জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে সেহেতু জোট শরিকদের সঙ্গে কথা না বলে একক সিদ্ধান্ত নেবে না তারা।

এ জন্য শনিবার কয়েক দফায় দলের শীর্ষ নেতা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে বিএনপি। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিকেল ৩ টার পর থেকে এ মিটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির শীর্ষ নেতারা নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিলেও মধ্য সারি ও তৃণমূল নেতারা খালেদা জিয়াকে কারাগারে এবং তারেক রহমানকে নির্বাসনে রেখে ভোটে যেতে চায় না। বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাও এ ব্যাপারে একমত। তারা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপির পক্ষে প্রধান বিরোধী দল হওয়ারও সুযোগ থাকবে না। মাঝখান থেকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সরকারকে বৈধতা দেওয়া হবে।

তবে, বিএনপির সিনিয়র নেতাদের আশঙ্কা, ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করায় ২০ দলীয় জোট ভেঙে গেছে। এবার নির্বাচন বয়কট করলে বিএনপিও ভেঙে যেতে পারে। তাই বিএনপির অখণ্ডতা তথা অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে নির্বাচনে যেতে হবে।