প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আন্দোলনের নামে ফৌজদারি অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না : শ ম রেজাউল করিম

জুয়েল খান : আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনকে বাঞ্চাল করবে অথবা নির্বাচন হতে দেবে না, বিএনপির এই হুমকিতে আওয়ামী লীগ ভয় পায় না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসি, নির্বাচনে বিশ্বাসি তাই আমরা এই নির্বাচনে অংশ নেবো এবং নির্বাচন অবশ্যই হবে। শুক্রবার রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

তিনি জানান, বিএনপি ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রতিহত করতে এসে মানুষ হত্যা করেছে এবং এখন সেই পাপের প্রায়শ্চিত্য করছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এই নির্বাচন চায় আর তাই এই নির্বাচন নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখো যায়নি। আর বিএনপি যে ২০১৪ সালে নির্বাচনের সময় যে লাগাতার কর্মসূচি দিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো তা প্রত্যাহার করা হয়নি।

তিনি বলেন, বিএনপি এবার জ্বালাও- পোড়াও কর্মসূচি দিলে, নির্বাচন বাঞ্চাল করার চেষ্টা করলে আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে বিএনপিকে প্রতিহত করা হবে। আর আওয়ামীলীগ বিদেশিদের টেলিফোনে কোনো ভয় পায় না তাই বিএনপির উচিত জনগণের কথা চিন্তা করেই শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা।

ড. কামাল হোসেনের কারণে সরকারের ওপরে আন্তর্জাতিক কোনো ধরনের চাপ আছে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এখন বিশ্বদরবারে খুবই প্রসংশিত আর তাই আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক পরিমÐল থেকে কোনো ধরনের চাপ অণুভব করে না। বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সরকারের উন্নয়নকে প্রশংসা করে নানাভাবে সরকারকে সহায়তা করে আসছে এবং তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশকে অস্থিতিশীল করা, আর তারই অংশ হিসাবে ডা. জাফরউল্লার মতো লোত টেলিফোনে সরাসরি মেয়েদেরকে দিয়ে নারী নির্যাতন মামলা করানোর নির্দেশ দিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা কাউকে কোনো ধরনের হুমকি কিংবা রাজনৈতিক কর্মকাÐে বাধা প্রদান করবো না। তবে কেউ যদি কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করে তাহলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওযা হবে না। এছাড়া যারা ফৌজদারী মামলার আসামি তারা যদি কোনো ধরনের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামে তাহলে তাদেকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে আগমাী ৩০ নভেম্বর। তবে এর আগে পর্যন্তক কোনো রাজনৈতিক দল কোনো ধরনের মিছিল মিটি কিংবা সভা-সমাবেশ করতে পারবে না। এছাড়া আগামী ৭ দিনের মধ্যে পোস্টার ও ব্যানার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর যেসব রাজনৈতিক দল জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করতে চান তাদেরকে আগামী ৩ দিনের মধ্যে জানাতে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ডিবিসি নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ