প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চড়ুই পাখির কিচির-মিচির শব্দ গ্রামীণ জনপদে দেখা যায় না

স্মৃতি খানম: ঘরের কোণ আর বাড়ির আঙিনায় ছোট ছোট চড়ুই পাখির নাচন- খুব সহজে গ্রামীণ জনপদে এমন দৃশ্য দেখা যায় না। নিরাপদ আবাসস্থলের অভাবসহ নানা কারণে বিলুপ্ত প্রায় পাখি রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির দাবি প্রকৃতি প্রেমীদের।

প্রতিদিন হাজারো পাখির কলরব আর কিচির-মিচির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে এখানকার মানুষের। পাখিদের কলকাকলির মধ্য দিয়ে আসে নতুন এক ভোর। সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ থানা ক্যাম্পাসে ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসে অগুনিত চড়ুই পাখি। আশ্রয় নেয় বিভিন্ন গাছে। রাত্রিযাপনের পর ভোরের আলো ফুটে ওঠার আগেই আহারের খোঁজে আবারো দলবেঁধে দেয় ছুট। চড়ই পাখির এমন সম্মিলন সবাইকে মুগ্ধ করে।

দর্শনার্থীরা জানান, আমি ভোরে  ঘুম থেকে উঠে দেখি, তারা নাচা নাচি আর কিচির-মিচির করছে। আমার খুব ভালো লাগে তাদের এই দৃশ্য।

অন্য আরেক জন জানান, সন্ধ্যার পর তারা এখানে আসে। এবং সারা রাত থাকে। সকালে আবার খাবারের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়।

ফুড়ুত-ফুড়ুত করে এক ডাল থেকে আরেক ডালে নাচানাচি, ডাকাডাকি। সৃষ্টি হয় অন্যরকম এক পরিবেশ। প্রকৃতি প্রেমীরা বলছেন, পাখির সাথে বিরূপ আচরণের কারণে এমন অনেক পাখি বিলুপ্তির পথে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখির প্রতি ভালোবাসা আর সচেতনতা সৃষ্টির করা দরকার।

গাইবান্ধা আর এ গনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ বলেন, পাখিরা যেখানে সে জায়গা পাচ্ছে না। কেননা যেভাবে গাছ রোধন হচ্ছে, সেভাবে পাখিটা বাসা বাঁধতে পারছে না।

পাখির প্রতি মমত্ববোধ সৃষ্টির জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে বলে জানান গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আব্দুস সোবহান। তিনি বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে এই বিস্তৃর্ণ অঞ্চলের পাখি নিধন বন্ধ করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ।

বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বিশ্বে মোট ৪৮ প্রজাতির চড়ুই পাখি দেখতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে এ দেশে গৃহস্থালির চড়ুই সবচেয়ে বেশী পরিচিত। সূত্র : জাগো নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ