Skip to main content

ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে বেড়েছে ডলারের বিনিময় হার

নূর মাজিদ : আসন্ন ব্রেক্সিট ইস্যুতে ব্রিটিশ অর্থনীতিতে ইতিবাচক সম্ভাবনা কমে আসার সঙ্গেসঙ্গেই গতকাল শুক্রবার দেশটির মুদ্রা পাউন্ড স্টারলিংয়ের বিপরীতে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে মার্কিন ডলার। বিশেষ করে, মুদ্রাবাজারের বিনিয়োগকারীরা ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠায় পাউন্ডের এমন দরপতন হয়েছে। এদিন মুদ্রাবাজারে প্রতি পাউন্ডের বিপরীতে ১ দশমিক ৩১ ডলারের লেনদেন সংগঠিত হয়। তবে ব্রেক্সিট আলোচনায় শেষ মুহূর্তে কতটুকু ছাড় পাবে ব্রিটেন এই নিয়ে চাপা শঙ্কা বিরাজ করছে বিনিয়োগকারীদের মাঝে। বিশেষ করে, উত্তর আয়ারল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ডকে পৃথককারী সীমান্ত নিয়ে ইউরোপিয় ইউনিয়নের সঙ্গে একমত নয় ব্রিটিশ সরকার। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সমর্থক নর্দার্ন আইরিশ পার্টি জানিয়েছে, ব্রেক্সিট আলোচনায় আইরিশ সীমান্ত ইস্যু নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তারা এমন কোন পরিকল্পনাকে সমর্থন করবেনা যা যুক্তরাজ্যকে বিভাজিত করবে। তবে পাউন্ডের দরপতনের পেছনে শুক্রবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের ঘোষণাও আংশিক দায়ী। ফেড রিজার্ভ গতকাল জানায়, মার্কিন অর্থনীতি ভালো ফল করায় তারা চলতি মাসে সুদের হার বৃদ্ধি করছেন না। তবে ডিসেম্বরে এমনটি করার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরেই মুদ্রাবাজারের বিনিয়োগকারীরা আগামীতে মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনায় ডলারে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেন। রয়টার্স

অন্যান্য সংবাদ