প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নেই সৈয়দ আশরাফুল, ভাবতেও কষ্ট হয় : কাদের

আহমেদ জাফর : সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সস্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলের সংসদীয় বোর্ডের সদস্য। তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমাদের মধ্যে উপস্থিত নেই, তা আমাদের ভাবতেও কষ্ট হয়।

আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শুক্রবার বাদ আসর দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। সেখানে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের বলেন, সৈয়দ আশরাফ দেশের রাজনীতিতে একজন পারফেক্ট জেন্টেলম্যান ও বিনয়ী রাজনীতিবিদ। তিনি দেশের রাজনীতিতে একজন ব্রিলিয়ান্ট ও ব্রাইট সন্তান। তিনি দু’বার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে বিশ্বস্ততার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

কিন্তু সামনে নির্বাচন, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। এ সময় তিনি সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সুস্বাস্থ্যতা কামনা করেন।

তিনি বলেন,নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর রাজশাহীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কিভাবে জনসভা করলো সেটাই একটা বিরাট প্রশ্ন এটা তারা করতে পারে না। এই জনসভার মাধ্যমে তারা নির্বাচনী আচরণবিধি বা আইন সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাদের যে শর্তে অনুমোদন দিয়েছে, তা তারা মানেনি। তারা তো তাদের বক্তব্যে আন্দোলনের কথা বলেছে, নির্বাচন বিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। তাদের ৭ দফা দাবি না মানলে তারা আন্দোলনে যাবে। তফসিল ঘোষণার পর এই অবস্থায় এ রকম জনসভা করে, এরকম বক্তব্য কি তারা দিতে পারে? এটা কি তার লঙ্ঘন নয়? এ প্রশ্ন আমি সিইসি’র কাছে রেখে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, তারা আন্দোলন করতে পারবে না। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকা, চট্টগ্রাম সব জায়গায় দেখা গেছে তারা নির্বাচনমমুখী ও সমাবেশে আন্দোলনবিমুখ জনগণ। তাদের আন্দোলনের ভাঙা হাট জমছে না। এটাই সর্বশেষ রাজশাহীর সমাবেশ থেকে প্রমাণ হলো। ৭ দফা দাবি মেনে না নিলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, অপেক্ষা করুন ৩০ তারিখ পর্যন্ত। তলে তলে তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে আর সামনে দিয়ে ফাঁকা আওয়াজ তুলছে।

প্রসঙ্গত, সৈয়দ আশরাফ দুরারোধ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সারাদেশের মহানগর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে আজ তাঁর রোগমুক্তি কামনায় অনুরুপ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, একে.এম এনামুল হক শামীম, দপ্তর সম্পাদক ড.আবদুস সোবহান গোলাপসহ দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ