প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১৬ কোটি মানুষকে উপেক্ষা করা হচ্ছে : মোবাইলে ড.কামাল

সাব্বির আহমেদ : প্রধান অতিথি ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন অসুস্থতার কারণে জনসভায় অংশ নিতে পারেননি। তবে তিনি ঢাকা থেকে মোবাইলে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, আমরা সরকারের সাথে আলোচনায় গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান করুন৷ দেশের ১৬ কোটি মানুষের কথা ভাবুন৷ নির্বাচন যেন গ্রহণযোগ্য হয় সে পদক্ষেপ নিন৷ কিন্তু আমাদের কথাকে উপেক্ষা করে তড়িগড়ি করে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে৷ তড়িগড়ি করে নির্বাচন করতে চায়৷ ১৬ কোটি মানুষকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। সংবিধান পরিপন্থী কাজ করছে।

জনসভার প্রধান বক্তা মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তি সহ ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি আদায় করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা সরকারকে খুব স্পষ্ট কথা বলেছি। ৭ দফা দাবি মেনে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট সমাধানের কথা বলেছি। আমরা ঐক্য করেছি। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংলাপে গিয়ে ৭ দফা দিয়েছি৷ আমরা বলেছি, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে তার মুক্তি ছাড়া নির্বাচন হতে পারে না। কিন্তু তারা মানেনি।

এসময় সরকার দাবি না মানলে গণতন্ত্রের জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য জীবন দিয়ে হলেও আন্দোলন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন ফখরুল।

জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, তড়িগড়ি করে তফসিল ঘোষণা করেছেন, যেন আমরা নির্বাচনে যেতে না পারি। সাবধান! দেশের ৯০ ভাগ মানুষ আমাদের সাথে আছে৷

তিনি বলেন, সংলাপে গিয়েছিলাম। দেশকে, জাতিকে বাচাতে গিয়েছিলাম। সংঘাতে যেতে চাই না। আমরা নির্বাচনে আসতে চাই। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দিন, গায়েবী মামলা, মিথ্যা মামলা তুলে নিন, সংসদ ভেঙে দিন৷ আমাদেরকে উস্কানি দেবেন না। দাবি মানেন। মানতে হবে। মরতে হলে মরবো দাবি আদায় করতে হবে। মানুষ আমাদের সাথে আছে৷ আল্লাহ আমাদের সাথে আছে। জেলের ভয় দেখাবেন না আমাকে। আমি ১০ বছর জেলে ছিলাম৷ আমার ফাঁসি হয়েছিলো। আমি ৬ বার মারা গিয়েছিলাম।

রব বলেন, লড়াই হবে। এই লড়াই গণতন্ত্রের। দাবি না মানলে, তফসিল যদি না পেছান, লড়াই হবে। লংমার্চ হবে, রোডমার্চ হবে, সভা হবে, নির্বাচন কমিশনে পদযাত্রা করবো৷ ভয় দেখাবেন না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত