প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আ.লীগের নেতা-কর্মীকে রক্ষায় ঐক্যফ্রন্টে যোগদান করি : কাদের সিদ্দিকী

হ্যাপি আক্তার : ক্ষমতার লোভে নয়, আরেকটি হাওয়া ভবনের সৃষ্টি ঠেকাতে এবং আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্যই আমি ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছি। সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন, কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

আসন্ন নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে বা সরকার পরিবর্তন হলে সারাদেশে অনাকাঙ্খিত ঘটনার আশঙ্কা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, তেমন হলে সারাদেশে তিন লাখ লোক মারা যাবে। আর আমার লক্ষ্য যাতে তিনটি লোকও মারা না যায়। এজন্যই আমি পাহারাদার হয়ে ঐক্যফ্রন্টে আছি, যাতে দেশে কোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতর সৃষ্টি না হয়।

ঐক্যফ্রন্টে দেরিতে যোগ দেয়া প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের আপত্তির কারণেই এটা হয়েছে। এসময় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কর্মসূচি ঘোষণাতেও সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে দলটির নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, এটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। তারা চোর, ডাকাত না একজন সাধুকে তাদের নেতা নির্বাচন করবেন তা তাদের বিষয়। তবে দেশের একজন নাগরিক হিসেবে তারেক রহমান যে টুকু মর্যাদা পাওয়ার দরকার তা তিনি পাবেন। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নেই উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, তবে অপরাধীর শাস্তি হবে এটাই স্বাভাবিক।

এছাড়াও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার যোগদানের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধু সেখানে ৭ই মার্চের ভাষণ দিয়েছেন। একারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাটি এতকাল আমার কাছে মক্কা-মদিনার মত পবিত্র স্থান ছিল। হেফাজতের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই পবিত্র ভূমিকে অপবিত্র করা হয়েছে। আর এই সমাবেশেই প্রধানমন্ত্রীর যোগদানে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কি ভোটে জেতার জন্য সেই অপবিত্র মানুষটার পাশে বসলেন? এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ