প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চট্টগ্রাম পুলিশের হাতে সাড়ে ৩ হাজার সন্ত্রাসীর তালিকা

শোভন দত্ত : নির্বাচনকালীন চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে এ ধরনের অন্তত সাড়ে তিন হাজার সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী ও তাদের গডফাদারদের তালিকা তৈরি করেছে পুলিশ প্রশাসন। এর মধ্যে নগরীর দুই হাজার জনকে তালিকাভূক্ত করেছে সিএমপি।

এছাড়া বাকি দেড় হাজার সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী রয়েছে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায়। তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে সহসাই অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।

২৩ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রধান বিরোধীদল বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো সংশয় কাটেনি। এর মাঝে বিগত বছরগুলোর নাশকতার বিষয় মাথায় রেখে পুলিশ হেড কোয়ার্টারের নির্দেশে সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারীদের তালিকা তৈরির কাজ শেষ করেছে ইউনিটগুলো।

জেলা পুলিশের আওতাধীন ১৬টি থানায় তালিকায় রয়েছে অন্তত দেড় হাজার সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী। জেলার বাঁশখালি ও স›দ্ধীপে রয়েছে অস্ত্র তৈরির একাধিক কারখানা।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেন, বিভিন্ন যে প্রার্থী রয়েছে, তাদের ওপর হুমকি আসতে পারে। তাদের অনুসারীদের ওপর আক্রমণ করতে পারে। এ বিষয়গুলো করতে পারে, এ জন্য আমরা সম্ভাব্য তালিকা তৈরি করছি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র পরিণত হয়েছিল বৃহত্তর চট্টগ্রাম। এবারও নির্বাচন যতোই ঘনিয়ে আসবে, পেশী শক্তি কিংবা সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের দাপট ততোটা বাড়বে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা। এক্ষেত্রে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত মাঠে নামার তাগিদ তাদের।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপি’র ১৬টি থানার তালিকায় রয়েছে দু’হাজারের বেশি সন্ত্রাসী। এ অবস্থায় এসব অপরাধীর গ্রেফতারে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (সিএমপি) মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় কোন ধরনের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নের কারণ না হয়, সেইভাবে অপারেশনে নামছি।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সিএমপির আওতায় রয়েছে ৪টি আসন এবং জেলা পুলিশের আওতায় রয়েছে বাকি ১২টি আসন । এসব আসনে ভোটার ৫৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩৬৩ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১ হাজার ৮৯৮টি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ