প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রফেসর ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা অলিম্পিকে

ডেস্ক রিপোর্ট : প্যারিস অলিম্পিকে যুক্ত হলো শান্তিতে নোবেল জয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার জার্মানির ওল্ফসবার্গে সামাজিক ব্যবসা নবম শীর্ষ সম্মেলন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয়া হয়। আগের বছর প্যারিস সম্মেলনে সিদ্ধান্ত হলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো এবারের সম্মেলন থেকে। এ সম্মেলনে স্কাইপের মাধ্যমে অলিম্পিক আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারাও যুক্ত হন। সম্মেলনস্থলে প্রফেসর ইউনূস যখন এ ঘোষণা দেন তখন মুর্হুমুহু করতালিতে তাকে স্বাগত জানান বিশ্বের ৫০টি দেশ থেকে আসা আট শতাধিক প্রতিনিধি। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক আয়োজক কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে প্রফেসর ইউনূসকে।

অলিম্পিকে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিনোদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের বাইরে খেলা যে সমাজ পরিবর্তনের বিরাট শক্তি হতে পারে তা তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, খেলাধুলা একটা বিরাট শক্তি।

শুধু আপ্যায়ন, বিনোদন বা বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এটাকে ব্যবহার না করে সামাজিক পরিবর্তনের বিরাট শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এটি বিবেচনা করেই প্যারিস ঠিক করেছে ২০২৪ সালের অলিম্পিককে সামাজিক ব্যবসা রূপে গড়ে তুলবে। প্রফেসর ইউনূস বলেন, ফ্রান্সের সবচেয়ে গরিব এলাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে অলিম্পিক। এই এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা পাল্টে দেয়া সম্ভব এই অলিম্পিকের মাধ্যমে।

ওল্ফসবার্গ সম্মেলনের অর্জন সম্পর্কে প্রফেসর ইউনূস মানবজমিনকে বলেন, এবারের সম্মেলন হয়েছে বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগনের প্রধান কার্যালয়ে। এই প্রতিষ্ঠানও সামাজিক ব্যবসা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, ব্যবসার দুই বা তিন শতাংশ এক্ষেত্রে ব্যয় করতে চায়। এটা একটা বড় বিষয়।
সম্মেলনে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল নতুন সভ্যতা। আমি বলেছি পুরনো সভ্যতাকে আর বাঁচানো যাবে না। আমাদের নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে হবে। সেখানে সামাজিক ব্যবসা একটা বড় ভূমিকা রাখবে। পুরনো সভ্যতার যে মূলভিত্তি মুনাফা ভিত্তিক অবস্থান- সেটা থেকে আমরা বের হয়ে আসবো।

নবম সম্মেলনের মূল্যায়ন করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, গত পাঁচ বছরে অনেক পরিবর্তন এসেছে। স্পোর্টসকে এর মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। প্লাস্টিক এবং টায়ার নির্মাতা বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে আমরা দাওয়াত করেছি। তারা আসবে। প্লাস্টিক দূষণকে কীভাবে রোধ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হবে। এর মাধ্যমে নতুন নতুন কর্মপন্থা ও উদ্যোগ গড়ে উঠে। সেটাই হবে আমাদের এই কাজের সার্থকতা।
শীর্ষ সম্মেলনে জার্মান সরকারের পক্ষে ফেডারেল মন্ত্রী ড. মারিয়া ফ্ল্যাশবার্থ বলেন, সামাজিক ব্যবসা দুনিয়াকে যে বদলে দিতে পারে এতে কোনো সন্দেহ নেই।
সূত্র : মানবজমিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত