প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারের যুক্তি আমরা বুঝি না : নজরুল ইসলাম খান

মো: মারুফুল আলম : বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আমরা সরকারের বক্তব্যের যুক্তি বুঝি না। তারা পাবলিকলি বলেন, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু বা বাইরে কিছু তারা করতে রাজি না। কিন্তু সংসদ বাতিল করা বা ভেঙে দেওয়া সংবিধান অনুযায়ী হতে পারে, এজন্য সংবিধান সংশোধন করা লাগে না। বৃহস্পতিবার বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়া উচিত নয়। উচিত হলো যে, শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করা। সব কিছুই একটা আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান হোক।

নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনি মোতায়েন সেটা বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে হোক বা না হোক তাতেও সাংবিধানিক কোন বাধানিষেধ নেই। ইভিএম ব্যবহার বন্ধ করার ক্ষেত্রেও সাংবিধানিক কোন বাধা নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে তিনি অভিযোগ করে বলেন, তাকে আদালত জামিন দিয়েছে। কিন্তু সরকারের প্রভাবাধীন নি¤œ আদালত জামিন অগ্রাহ্য করেছে। সরকারের তরফ থেকে চাপ দিয়ে এটা করা হয়েছে, যে মামলার বাকি সব আসামি জামিনে আছে। কাজেই উনি সরকারি সহায়তায় কারাগারে আছেন।

নির্দলীয় সরকারের দাবি প্রশ্নে তিনি বলেন, যদি সরকার বাকি দাবিগুলো মেনে নিয়ে বলতো যে, ‘নির্দলীয় সরকারের দাবিটা সংবিধানের সাথে যায় না’, তাহলে আমরা বিবেচনা করে দেখতাম যে, কী করা যায়, এবং সেখানে কিন্তু একটা সমঝোতার পরিস্থিত সৃষ্টি হতো। পরিস্থিতি ২০১৪ এর মতো তৈরি হচ্ছে কিনা যে, কোন সমাধান ছাড়াই শেষ পর্যন্ত আপনারা নির্বাচন বর্জনের পথটাকে বেছে নিচ্ছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা এখনও ঠিক ওরকম কিছু ভাবি না। আমরা মনে করি, এখনও সময় আছে, সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। গণতন্ত্রের স্বার্থে সরকার যুক্তিসঙ্গত আচরণ করবে।

নির্বাচন প্রশ্নে ফ্রন্টের মধ্যে ভিন্নমত আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের পরও বিএনপি ভেঙে যাবে বা বিএনপিতে বিশৃঙ্খলা হবে বলে গুজব হয়েছিলো কিন্তু আমাদের দল অত্যন্ত ঐক্যবদ্ধ শৃঙ্খলাবদ্ধ অবস্থায় আছে। দলে সবার মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কাজেই দ্বিমতের কোন অবকাশ নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ