প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংস্কার ব্যর্থতায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ১৪২ কারখানা

মোহাম্মদ রুবেল : দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত পোশাক কারখানার সংখ্যা ৪৪৩১টি। এর মধ্যে ১৪২টি কারখানা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তৈরি পোশাক খাতের অর্থনীতির জন্যও তা ঝঁকিপূর্ণ। এসব কারখানার সংস্কারের জন্য তিন বছর ধরে মালিকদের সময় দিয়ে আসছে। কিন্তু সংস্কারে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নেই। এ বাস্তবতায় চ‚ড়ান্ত সিন্ধান্ত জানিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে কারখানাগুলোর সংস্কার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে মালিকদের। অন্যথায় জানুয়ারীর মধ্যে কারখানাগুলোকে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফোরকান আহসান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানাগুলোর ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কারে সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সংস্কার না হলে জানুয়ারীতে বন্ধকরে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক মো. সামছুজ্জামান ভুইয়ার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বিজিএমইকে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আরোও বলা হয়েছে, কারখানাগুলোর মালিক কিংবা প্রতিনিধিদের সঙ্গে গত বছরের মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে অন্তত ৩২টি সভা করা হয়েছে এবং দুই দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেশকিছু কারখানার সংস্কারের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় ইউডি ইস্যু (ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন) বন্ধ রাখা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, কারখানার বন্ড সুবিধা সংক্রান্ত সেবা বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি পাঠানো হবে। কোনো কারখানা সাব কন্ট্রাক্ট ভিত্তিতে পোশাক তৈরি করে থাকলেও ওই সুবিধাও বাতিল করার অনুরোধ জানানো হবে।

ডিআইএফই’র মহাপরিদর্শক সামছুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, কারখানাগুলোকে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্তে¡ও কারখানার ভবনের কাঠামো, অগ্নি কিংবা বৈদ্যুতিক নিরাপত্তায় কাঙ্খিত অগ্রগতি হয়নি। বহুবার তাদের সঙ্গে সভা করেছি। এরপর তাদের সময়সীমাও বেঁধে দেয়া হয়েছে। এখন কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা তথা দেশের ভাবর্মূতির স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, কারখানাগুলো যাতে বন্ড ট্রান্সফার বা সাব কন্টাক্টভিত্তিতেও কোনো কাজ পরিচালনা না করতে পারে, বন্ড কমিশনারেটকে সে অনুরোধও জানাবো। যেসব কারখানার সংস্কার ২০ শতাংশের নিচে তাদের ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজিএমইএ’র সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির বলেন, হঠাৎ করে বন্ধ করে দিলে শ্রমিক সহ সবাই ক্ষতিগ্রস্থহবে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই ব্যবস্থা নিতে হবে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কারখানা সংস্কার করা কঠিন হয়ে যায়। তাই মালিকরা নির্বাচন পর্যন্ত সময় চেয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘সংস্কারকাজের জন্য সময় চেয়ে ডিআইএফই মহাপরিচালক বরাবর চিঠি দিয়েছি।

সম্পাদনা :  শাহীন চৌধুরী, হুমায়ুন কবির খোকন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ