প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা না হলে আন্দোলন : ঐক্যফ্রন্ট

শিমুল মাহমুদ : জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্বিতীয় সংলাপ শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানিয়েছেন, জনগণের এই দাবি যদি সরকার না মানে তবে আন্দোলনের মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করা হবে। একই সঙ্গে গায়েবী মামলা ও হয়রানি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীরর আশ্বাস কথাও জানিয়েছেন তারা।

বুধবার (৭নভেম্বর) গণভবনে সংলাপ শেষ করে রাজধানীর বেইলি রোডে ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা এসব বলেন।

গনফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ১ নভেম্বর ও নভেম্বর সংলাপের আহবান করায় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, আজকের সংলাপে আমরা সারা দেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার, গায়েবী মামলায় প্রত্যাহার এবং আর কোন গায়েবী মামলা, হয়রানি যেনো না করা হয়, সে বিষয়ে জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীও আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন আর কোন গায়েবি মামলা হবে না। এবং আর কাউকে গ্রেফতার করা হবে না।

বিএনপির মহা সচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৭ দফার মধ্যে আমাদের প্রথম দফাটায় ছিলো, বেগম জিয়ার মুক্তি, নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় ছিল নির্বাচন কমিশন। তবে এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান হয়নি আমরা প্রস্তাব দিয়েছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার বিষয়ে এই আলোচনার কোন সর্ম্পক থাকবে না। প্রয়োজনে তফসিল আবারো ঘোষণা হতে পারে।

আলোচনার সন্তুষ্টির বিষয়ে তিনি বলেন, সন্তুষ্টির কোন বিষয় নাই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

আশার আলো দেখছেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলে, জনগণ আশার আলো দেখলে আমরাও আশার আলো দেখবো।

কর্মসূচী বিষয়ে তিনি বলেন, আমারা কাল রোড মার্চে যাচ্ছি এবং রাজশাহীতে কর্মসূচি করছি। তাছাড়া যদি আগামীকাল তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে আমাদেত পথযাত্রা হবে।

তিনি বলেন, আমরা সব সময় সংলাপকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছি। এবং আমরা এটা বিশ্বাস করি আলোচনায় মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিৎ। সরকার যদি সে পথে না আসে। তাহলে সকল দায় দায়িত্ব সরকারের উপরেই পরবে।

তিনি আরো বলেন, এটা আমরা চাচ্ছি জনগণের দাবি হিসেবে। এটা যদি সরকার না মানে আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করবো।

ওবায়দুল কাদের কথার অর্থ হচ্ছে জনগণের সাথে তাদের কোন সর্ম্পক নাই। জনগণের যে দাবি দার প্রতি তাদের কোন শ্রদ্ধা নেই।

তিনি বলেন নির্বাচন পেছানোর দাবিটা আমরা করছি শুধুমাত্র নির্বাচন অর্থবহ করার জন্য।

৭দফার কয়টা দাবি পূরণ হয়েছে আর কয়টি পূরণ হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, আমরা পুরোটা বিষয় বিবেচনা করবো। পুরো বিষয়টা সিদ্ধান হবে তখন জানতে পারবেন ।

প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা এ ধরণের কোন প্রস্তাবেই দেইনি। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা জোড় দিয়ে বলেছি তিনি আইনগত ভাবেই মুক্তি পাওয়ার যোগ্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ড. কামাল হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, মোস্তফা মহসীন মন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ