প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ধর্মঘটের নামে এমন নৈরাজ্য বন্ধ করা উচিত

নুর খান লিটন : সম্প্রতি শ্রমিক ধর্মঘটের নামে সাড়া দেশ জুড়ে কি পরিমাণ নৈরাজ্য হয়েছে, এটি সারা দেশের মানুষ দেখেছে। মানুষ দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করতেই পারে। এটি তার গণতান্ত্রিক অধিকার। তাই বলে পরের অধিকার খর্ব করে নয়। ধর্মঘটের সময় যারা প্রাইভেট গাড়িগুলো রাস্তায় নামিয়েছে, তাদের মুখে এবং শরীরে পোড়া মবিল লেপন করেছে শ্রমিকরা। এটি খুবই দুঃখজনক।

সাধারণ যাত্রী এবং শিক্ষার্থীদেরকেও এমন করে শরীরে এবং মুখে পোড়া মবিল লেপন করে দিয়েছে। এটি একটি অমানবিক কাজ। দিন দিন আমদের সমাজে নৈতিক অবক্ষয় বেড়ে চলেছে। একটি গল্প বলি, ছোট বেলায় আমরা পটকা মাছ ধরে, পাটখড়ি মাছের মুখে দিয়ে ফুঁ দিতাম। তখন মাছের পেট বড়ো হয়ে যেতো। কিন্তু এখন এটি আমাদের সমাজেও দেখতে পাচ্ছি। শিশুদেরকে কিভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। দেশের কিছু জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেছে যে, একটি শিশুর পেটে গ্যাস ঢুকিয়ে দিয়েছে, ফলে শিশুটি মৃত্যুবরণ করেছে।

আমরা এই ধর্মঘটের সময় দেখতে পেলাম যে, একটি এ্যাম্বুলেন্সকে আটকে দেয়া হলো, এ্যাম্বুলেন্সে একটি নবজাতক শিশু ছিলো, শিশুটির মা বারবার বলছিলো, আমার বাচ্চাটি অনেক অসুস্থ, আমাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। কিন্তু তার কোন কথাই শ্রমিকরা শোনেনি। দেরি করে হাসপাতালে পৌঁছানোর ফলে অবুঝ শিশুটির মৃত্যু হলো। এর দায়ভার কে নেবে? যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেয়া উচিত।

আমি মনে করি, যে কোন আন্দোলন বা ধর্মঘটের নামে এমন নৈরাজ্য এবং ন্যাক্কারজনক ঘটনা বন্ধ করা উচিত। পরিচিতি : মানবাধিকারা কর্মী/মতামত গ্রহণ : ফাহিম আহমাদ বিজয়/সম্পাদনা : রেআ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ