প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংলাপের পরে তফসিল ঘোষণা করা জরুরি

ইকতেদার আহমেদ : তফসিল ঘোষণার দায়িত্ব, এটি সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত। সংবিধানে বলা আছে, মেয়াদ অবসানের কারণে যদি সংবিধান ভেঙ্গে যায় তাহলে, সংসদ অধিবেশনের ৯০ দিনের পূর্বেই নির্বচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। মেয়াদ অবসান ছাড়া অন্যকোন কারণে সংসদ ভেঙ্গে গেলে, সংসদ ভাঙ্গার ৯০ পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। সংসদ কখন ভাঙ্গবে এটি তো এখনো বোঝা যাচ্ছে না। যেহেতু উভয় দলের মধ্যে সংলাপ হচ্ছে, এবং ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া জন্য বা তফসিল ঘোষণা পিছিয়ে দেয়ার জন্য। যেহেতু সংলাপ এখনো চলমান, তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত, সংলাপের ফলাফলের পরেই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা।

অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ইভিএম ব্যবহার হোক এটি চায় না। ঐক্যফ্রন্ট বলেছে, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা হোক। ইউরোপের অনেক রাষ্ট্র ইভিএম থেকে সরে এসেছে। আমেরিকার অনেক অঙ্গরাজ্যে ইভিএম ব্যবহার করা হয় না। ইভিএমের চেয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদের ঢাকা শহরের যানজট নিরসন করা। ইভিএমে যে পরিমান অর্থ খরচ হবে, তার এক দশমাংশ খরচ করলে আমাদের ঢাকা শহরের যানজট নিরসন হবে। তাই আমার মনে হয় না যে, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করার কোন যৌক্তিকতা আছে।

সরকার নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীকে মেজিস্ট্রিয়াল পাওয়ার দিতে পারে। এই পাওয়ার সরকারও দিতে পারে এবং নির্বাচন কমিশনও দিতে পারে। ইতিপূর্বেও সেনা বাহিনী মেজিস্ট্রিয়াল পাওয়ার দিতে নির্বাচনী কাজে নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো।

এভাবে সেনাবাহিনী নিয়োগ দেয়া হলে তারা দক্ষতার সাথে কাজ করে থাকে। জনগণের প্রত্যাশা যদি এমন হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে কোন আইনি বাধা আছে বলে আমি মনে করি না।

পরিচিতি : সাবেক জজ, সংবিধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক/মতামত গ্রহণ : ফাহিম আহমাদ বিজয়/সম্পাদনা : রেআ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ