প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঐক্যফ্রন্ট আজ জনসভা করছে সোহরাওয়ার্দীতে

কালের কন্ঠ : আজ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করবে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচন ঘিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপের আগের দিন জোট এই জনসভা করছে। জনসভা থেকে দুই ধরনের আগাম বার্তা দিতে চায় নবগঠিত এই রাজনৈতিক জোট। সংলাপ সফল হলে সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামা এবং ব্যর্থ হলে দাবি আদায়ে আন্দোলনের মাঠে নামার দিকনির্দেশনা দিতে চান ফ্রন্ট নেতারা।

ঐক্যফ্রন্ট নেতারা জানিয়েছেন, ২৪ শর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার লিখিত অনুমতি পেয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। ঐক্যফ্রন্ট মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। ঐক্যফ্রন্টের সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি ২০ দলীয় জোটসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের প্রতিনিধিদেরও বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে এই জনসভায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জনসভায় বিপুল লোক সমাগমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুরসহ ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকেও নেতাকর্মীদের জনসভায় যোগ দেওয়ার ব্যাপারে নির্দেশনা গেছে। গতকাল জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন ফ্রন্ট নেতারা। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘জনসভায় রাজধানীসহ ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যোগ দেবে। স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসভা হবে এটি।’

এদিকে জনসভা সফল করতে গত কয়েক দিন ধারাবাহিক বৈঠক করেছে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এবং ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে জনসভা সফল করতে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে আজকের জনসভায় নির্বাচন ও আন্দোলন দুই ধরনের কৌশলী বার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ফ্রন্টের সিনিয়র এক নেতা বলেন, দ্বিতীয় দফা সংলাপের মধ্য দিয়ে সমঝোতা হলে ঐক্যফ্রন্টের অবস্থান হবে ইতিবাচক; অর্থাৎ তারা নির্বাচনে নামবে। আর সংলাপ ব্যর্থ হলে আন্দোলনের পথেই হাঁটবে তারা। এই বার্তাটিই থাকবে জনসভায়। সংলাপের কারণে বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি আসবে না।

কর্মসূচির বিষয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু সাংবাদিকদের বলেন, ৬ নভেম্বর মূলত সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য জেলায় জেলায় মিটিং এবং লিফলেট বিতরণসহ হালকা কর্মসূচি দেওয়া হবে। কঠোর কর্মসূচি আসবে আরো পরে।

এর আগে সকালে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে যায়। বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ আমরা গিয়েছিলাম। সমাবেশ করতে আমাদের লিখিত অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ