প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে ডাকাতের গুলিতে একই পরিবারের ৩ জন গুলিবিদ্ধ

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ(কক্সবাজার) : কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে ডাকাতের গুলিতে একই পরিবারের তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। গুলিবিদ্ধরা হলেন- টেকনাফের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে আই ব্লকের বাসিন্দা মৃত হোসেন আলীর ছেলে মোহাম্মদ আজিজুল হক (৫০) তার স্ত্রী তৈয়ুবা খাতুন (৪০) ছেলে সন্তান হোসেন জোহার (১৬)। (৪ নভেম্বর) সোমবার সন্ধ্যার দিকে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরের পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ এএসআই মোহাম্মদ গোলাম আজম।

পুলিশ ও রোহিঙ্গারা জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় রোহিঙ্গা শীর্ষ ডাকাত নুরুল আলম ও মোহাম্মদ সাদেকের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরের আই ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ আজিজুল হকের বসত-ঘরে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িতে থাকা লোকজন চিৎকার দিলে ডাকাতেরা তাদের উপর গুলি বর্ষণ করে। এতে একই পরিবারের ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়। এসময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ডাকাতেরা গুলি বর্ষণ করতে করতে ভয়-ভীতি দেখিয়ে পাহাড়ের দিকে ঢুকে পড়ে।

পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে শিবিরের ভেতরে স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের অবস্থা আশংকাজনক দেখে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। তাদের শরীরে দুই-তিনটি গুলি চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় রোহিঙ্গাদের মাঝে আতংঙ্ক দেখা দিয়েছে। গুলিবিদ্ধ আজিজজুল হক আইনশৃংখলাবাহিনীর সোর্স হিসাবে কাজ করে আসছিল।
বেশ কিছুদিন রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা জিয়া নামে এক ডাকাতকে আইনশৃংখলাবাহিনীকে তথ্য দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছিল, এই অভিযোগে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধরনা করছেন রোহিঙ্গা নেতারা।

কক্সবাজার জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, বিষয়টি শুনেছি, হামলাকাীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরের পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ এএসআই মোহাম্মদ গোলাম আজম জানান, গুলি বর্ষণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পরে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে প্রাণে বাঁচতে প্রায় ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে কক্সবাজারে এসে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। এর আগে আরও চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ