প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তরিকুলের শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ঢল

শিমুল মাহমুদ ও এম আর মশিউর : সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালাবাসায় শেষ বিদায় নিলেন তরিকুল ইসলাম।

সোমবার যশোর ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে কারবালা কবরস্থানে বাবা- মায়ের কবরের পাশে সমাহিত হলেন বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

এসময় তার কফিনের পিছনে লাখো জনতার ঢল নামে। জনতার এ ঢলে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সত্তর আশি বছরের বৃদ্ধরাও অংশ নেন। অশ্রুসিক্ত চোখে নীরবে কফিনের পিছনে হাটেন তারা।

ঢাকার জানাজা শেষে বিকেল তিনটায় হেলিকপ্টারে করে যশোর শহরের ঘোপের নিজ বাড়িতে নেয়া হয় তরিকুল ইসলামের মরদেহ। সেখান থেকে শহরের লালদিঘীর পাড়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেয়া হয়। এখানে তাকে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অশ্রুসিক্ত শেষ শ্রদ্ধা জানান।

জানাজায় অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রিন্টু, স্থানীয় বিএনপির শীর্ষনেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেনী পেশার প্রায় লাখো মানুষ।
যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেরুল হক সাবু জানান, বৃহত্তর খুলনা বিভাগে বিএনপির অভিভাবক ছিলেন তরিকুল ইসলাম।

তার মুত্যুতে জেলা বিএনপি তিন দিনের শোক পালন করছে। সোমবার সবাই কালো ব্যাচ ধারণ করেছে। আগামী দুই দিন দোয়া মাহফিল ছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

এরআগে বর্ষীয়ান এই নেতার মরদেহ শেষবারের মত ঢাকার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আনা হয়। জানাজার নামাজ শেষে দীর্ঘ সময়ের সহকর্মীরা তার কফিনটি দলীয় পতাকায় ঢেকে দেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিএনপি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রয়াত এ সহযোদ্ধার প্রতি। কফিনে ফুল দেওয়ার পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা।

এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে, দলের দু:সময়ে তরিকুল ইসলামের চলে যাওয়া জাতীর অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে গেলো। অন্যায়ের সঙ্গে যিনি কখনো আপোষ করেননি তাকে জাতি র্দীঘদিন মনে রাখবে।

পরে মহানগর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, তাঁতী দল, ড্যাব, অ্যাব,মৎস্যজীবী দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তরিকুল ইসলামের কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।