Skip to main content

কলাপাড়ায় ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৫৬ পিস ইয়াবা মামলায় তিন আসামী রিমান্ডে

নিনা আফরিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৫৬ পিস ইয়াবা মামলার এজাহারভুক্ত গ্রেফতারকৃত তিন আসামীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-৮ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো: আউয়াল হোসেন আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করার পর শুনানী শেষে বিজ্ঞ কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো: ইমরানুল হক এর আদালত তিন আসামীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৬ অক্টোবর কুয়াকাটা মহাসড়কের শেখ কামাল সেতুর টোল পয়েন্ট থেকে ইয়াবার এ বিশাল চালান সহ কক্সবাজার জেলার উখিয়ার রোহিঙ্গা আলম সহ তার সহযোগী টেকনাফের ইব্রাহিমকে র‌্যাব-৮ বরিশালের সদস্যরা গ্রেফতার করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে রোহিঙ্গা আলম পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব তার পায়ে গুলি করে তাদের অভিযান সফল করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার, একটি বিদেশী পিস্তল, দুইটি ম্যাগজিন, চার রাউন্ড গুলি, চারটি মোবাইল সেট, চারটি সীমকার্ড ও নগদ ১৯৭৫ টাকা জব্দ করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-৮ বরিশাল ক্যাম্প’র সহকারী পুলিশ সুপার মো: আউয়াল হোসেন জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসরন করে আসামীদের শারিরীক অবস্থা বিবেচনা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে উপকূলীয় এলাকার ইয়াবা নেট ওয়ার্কেও অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ্য জানা যাবে বলে জানান তিনি। এদিকে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর ব্যবহার করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল মাছের ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেলেও তারা থাকছে বরাবর ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। মৎস্যবন্দর আলিপুর-মহিপুরে ইতোপূর্বে এ চক্রের দু’নারী ও পুরুষ সদস্যরা হাজার হাজার পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার হয়। তন্মধ্যে একজন প্রভাবশালীর মাছ ধরা ট্রলার’র মাঝির স্ত্রী হওয়ায় তদন্ত আর বেশী দূর এগোয়নি।] এছাড়া অপর নারী গ্রেফতার হওয়ার পর আদালত পুলিশ তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পথে ওই প্রভাবশালী চক্রের ক্যাডাররা পুলিশকে কুপিয়ে আসামী ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালায়। এছাড়া কলাপাড়ার শহর, বন্দর গ্রামীন জনপদ থেকে প্রতিদিন ইয়াবা বিক্রেতারা গ্রেফতার হলেও গডফাদাররা থাকছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। অবশেষে চাঞ্চল্যকর এ ইয়াবা মামলার তিন জনকে র‌্যাব রিমান্ডে নেয়ায় ইয়াবার সাথে জড়িত স্থানীয় গডফাদারদের সনাক্ত করা সহজ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কেননা ইয়াবার এ বিশাল চালানটিও সমুদ্র পথে স্থানীয় গডফাদারদের সহায়তায় মৎস্যবন্দরে আনলোড হয়ে পুন:রায় মাছের ককসিড ভর্তি হয়ে প্রাইভেট কার যোগে পাচার হচ্ছিল মৎস্যবন্দর থেকে।

অন্যান্য সংবাদ