প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মানিকগঞ্জ-২ আসন
মামলার ভয়ে মাঠে নেই বিএনপি‘র মনোনয়ন প্রত্যাশী দুই উপজেলা চেয়ারম্যান

মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিংগাইর (মানিকগঞ্জ): মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর-সদরের আংশিক) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী দুই উপজেলা চেয়ারম্যান মামলার ভয়ে নির্বাচনী মাঠে নেই। মামলা-হামলা ও পুলিশী হয়রানির ভয়ে তারা নির্বাচনী এলাকায় নেই বলে চেয়ারম্যানদ্বয়ের কর্মী সমর্থকরা দাবি করেছেন। এরা হচ্ছেন, সিংগাইর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবিদুর রহমান খান রোমান ও হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল হুদা চৌধুরী শাতিল। দু‘জনেরই রয়েছে এলাকায় ব্যাপক জন সমর্থন।

সিংগাইর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবিদুর রহমান খান রোমান ছাত্র জীবনে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিংগাইর ছাত্র উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৯-৯০সালে সিংগাইর ডিগ্রী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন। বর্তমানে সিংগাইর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত উপজেলা নির্বাচনে ভোটের কয়েক দিন আগে বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে সমর্থন পেয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি‘র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মত বিনিমিয় ও গণসংযোগ শুরু করলেও এখন তাকে নির্বাচনী মাঠে দেখা যাচ্ছে না। তার বিরুদ্ধে সিংগাইর থানা পুলিশের দায়েরকৃত নাশকতা মামলা হলে তিনি গা-ঢাকা দেন।

এ ব্যাপারে আবিদুর রহমান খান রোমান মুঠোফোনে বলেন, জামিন হওয়া পরেও আমিসহ বিএনপি’র অন্য কোন নেতাকর্মীই নির্বাচনী মাঠে দাঁড়াতে পারছেন না। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন এসব গায়েবী মামলা হবে না। সেখানে বিভিন্ন মামলায় তার নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে।

অপর প্রার্থী হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল হুদা চৌধুরী শাতিল মাসাফি গ্রুপের চেয়ারম্যান। নন্ম, ভদ্র ও বিনয়ী ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন শাতিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে তার প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ শুরু করলে বাধ সাধে পুলিশ। হয়রানির শিকার হন তিনি। ইতিমধ্যে ৩টি নাশকতার মামলা মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন শাতিল। বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে তার ব্যাপক অবদান।

এ ব্যাপারে সাইফুল হুদা চৌধুরী শাতিল মুঠোফোনে বলেন, রাষ্ট্র যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে আমি ও আমার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে দাবিয়ে রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি এ সব মামলা দিয়ে পুলিশ চাকুরী নেয়ার সময়ের শপথও ভঙ্গ করেছেন।

এ দিকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ অফিসে চেয়ারম্যানদ্বয়কে না পাওয়ায় জনসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। পাশাপাশি দাফতরিক কাজেও ব্যাহত হচ্ছে।

এ দু‘উপজেলা চেয়ারম্যান ছাড়াই বিএনপি‘র অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হচ্ছেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি আফরোজা খান রিতা ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. মঈনুল ইসলাম খান শান্ত। বিএনপির দলীয় সূত্রে দাবী সম্ভাব্য প্রার্থীদের পাশাপাশি কর্মী সমর্থকেরা মামলা ও গ্রেফতার আতংকে এলাকায় নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ