প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে’

আশিক রহমান : কথায় কথায় সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো অশুভ পরিণাম সৃষ্টি হয় বলে মনে করেন ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। এ প্রতিবেদককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পুলিশ বা বিজিবি, যাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তারাই যথেষ্ট নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য। তবে পরিস্থিতি বুঝে সেনাবাহিনীকে কোথাও কোথাও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশনের সংলাপেও আমি সে কথাই বলেছিলাম। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, সেনাবাহিনী নিজেও চায় না বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মকা-ে যুক্ত হতে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিটি অযৌক্তিক ও অপরিণামদর্শী। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন তারা নির্বাচনে সেনাবাহিনী দেয়নি। কাজেই আমাদেরকে শিখতে ও বুঝতে হবে।

ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের তো যাত্রা শুরু করতে হবে একটা জায়গা থেকে। সব সময় আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে, এটা শুভ লক্ষণ নয় রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে। তবে বাংলাদেশের নির্বাচনি সংস্কৃতিকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব সরকারের ওপরে যেমন আছে, বিরোধী দলগুলোরও সেই একই দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্বটি তারা সঠিকভাবে পালন করছেন কী, করছেন না তার ওপর নির্ভর করছে নির্বাচনের ফলাফল, নির্বাচনি পরিবেশ-পরিস্থিতি। সরকারের উচিত বিরোধীমহল যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের মতো পরিবেশ-পরিস্থিতি, সুযোগ-সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক ভূমিকায় সম্পৃক্ততা সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব খর্ব করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ