Skip to main content

কওমী মাদরাসার সনদে চাকরি পেয়েছে ২ হাজার ২০ জন

জুয়েল খান : ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, আলেম ওলামাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ মিটিয়ে কওমী মাদ্রাসার ৬ টি বোর্ডকে একত্রিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন। এর ফলে ইতিমধ্যে ২ হাজার ২০ জন ইসলামি ফাউন্ডেশনের আওতাধীন দারুল আরকাম মাদ্রাসায় চাকরি পেয়েছে। রোববার রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনা সভায় তিনি কথা বলেন। মিছবাছুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈমানী শক্তির কারণেই আলেম ওলামাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ মিটাতে পেরেছেন। তিনি আলেম সমাজের মধ্যে একটা আস্থার যায়গায় পৌঁছেছেন। তিনি আরো বলেন, ৪ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের শোকরানা মাহফিলের আয়োজন করে ‘আলহাইয়াতুল ওলীয়ালীল জামিয়াতুল কওমিয়া বাংলাদেশ’। হেফাজতে ইসলামী বাংয়লাদেশ নয়। এই সমাবেশ কোনো ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশ ছিলনা এবং আমরা কোনো ধরনের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নই। তিনি বলেন, কওমি মাদ্রাসা এবং বাংলাদেশের আলেম ওলামারা সবাই এখন ঐক্যবদ্ধ আছে। আর এর ফলেই কিন্তু এতবড় সমাবেশ করা সম্ভব হয়েছে। মৌলিক নীতিতে বাংলাদেশের আলেম ওলামারা সবাই এক। আল্লামা শাহ আহম্মেদ শফী বাংলাদেশের আলেম ওলামাদের শিরোমনি এবং তাকে কেন্দ্র করেই আলেম ওলামাগণ একত্রিত হয়েছেন। আর যাদের মধ্যে সামান্য বিভেদ আছে বিশেষ করে তাবলীগ জামায়াতের মধ্যে, সেই বিভেদ মেটানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, গতবছর এপ্রিল মাসে গণভবনে আলেম ওলামাদের সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, কওমি মাদ্রাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি সমমান করা হবে। এরপর গত ১৮ সেপ্টেম্বর এই সংক্রান্ত আইনটি সংসদে পাস হয়। এই কারণেই রোববারের সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের শোকরানা মাহফিলে প্রধানমন্ত্রীকে ‘কওমীর জননী’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ