প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কামাল হোসেনের নেতৃত্ব ও আমার পূর্বোক্তি প্রসঙ্গে

মাসুদ রানা, লন্ডন, ইংল্যান্ড থেকে: প্রথমে বদরুদ্দোজা চৌধুরীদের যুক্তফ্রন্টের সাথে এবং তারপর চৌধুরীকে বাদ দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট গঠন করে কামাল হোসেনেরা ইতিহাসবোধহীন ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞাশূন্য অনেক মানুষের মধ্যে একটি আশাবাদ তৈরি করেছিলেন এই মর্মে যে, তারা একটি জনপ্রিয় গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারকে বাধ্য করবেন একটি কারচুপিহীন অবাধ নির্বাচনে সম্মত হতে। একদিন হঠাৎ করে কামাল হোসেন পত্র লিখলেন শেখ হাসিনার কাছে সংলাপ চেয়ে। শেখ হাসিনার সাথে কামাল হোসেনের সংলাপ চেয়ে সংলাপ করার পর, কদিন ধরে রূপত সংলাপের জোয়ার চলছে দেশের রাজনীতির জলধিতে। আর, সেই জোয়ারে নৌকা ভাসিয়ে শেখ হাসিনা দিব্যি সারাদেশ ও বিশ্ববাসীকে দেখাচ্ছেন তিনিই জয়ী। যুক্তফ্রন্টের সাথে যাবার কালে আমি কি বলিনি ‘অনেকগুলো শূন্যের যোগফল শূন্য’? যে যুক্তফ্রন্টের সাথে ঐক্য গঠন করা হয়েছিলো শেখ হাসিনার ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের পতন বা পদত্যাগ ঘটিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে, সেই যুক্তফ্রন্ট ঘোষণা করেছে তারা শেখ হাসিনার সরকারের অধীনেই নির্বাচন করবে। কী লিখেছিলাম আমি ৩০ অক্টোবর ‘অক্ষমে আশা না করো’ শিরোনামে? আমি লিখেছিলাম, ‘অক্ষম বড়োজোর আবেদন তথা ভিক্ষে করতে পারে। তার বেশি অক্ষমতাগ্রস্তের কাছে আশা করো না।’ তো, সংলাপ হলো। কী অর্জন হলো ঐক্যফ্রন্টের? কী হলো আন্দোলনের? দেশের মানুষের রাজনৈতিক ‘মুড’ এখন সংলাপের, না আন্দোলনের?

মানুষ কি আর কিছু আশা করছে কামাল হোসেনদের কাছে? তারা কি ভাবছে যে, কামাল হোসেনের নেতৃত্বে আবেদন-নিবেদন ছাড়া আদৌ কোনো গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা কিংবা তার নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব? তার সমগ্র রাজনীতির ‘ক্যারিয়ারে’ কি তার কোনো নজির আছে?

বহু আগে থেকে বারবার বলছি, রাজনীতির ‘প্যারাডাইম শিফট’ হয়েছে। নতুন চিন্তা, নতুন প্রকৌশল লাগবে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনার। পুরোনো প্রকৌশল ও পুরোনো নেতৃত্ব দিয়ে আর কাজ হবে না।

হে পরিবর্তনকামী নতুন প্রজন্ম, নতুন লক্ষ্যে, নতুন চিন্তায়, নতুন প্রকৌশল, নতুন নতুন নেতৃত্বে নতুন পথে চলার মতো মনে প্রস্তুতি আনো! ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ