প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘সংলাপে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনিশ্চয়তা কাটেনি’

আশিক রহমান : আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন চৌদ্দদলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যেকার অনুষ্ঠিত সংলাপের মাধ্যমে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনিশ্চয়তা কাটেনি বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে আসবে, কী আসবে না সেই অনিশ্চয়তা সংলাপে কাটেনি। বিএনপি যদি জানে নির্বাচনে গেলে আমাদের শতকরা একশ ভাগ পরাজয়, এতে তারা না-ও যেতে পারে। আওয়ামী লীগ প্রবল শক্তিশালী। সব দল মিলেও আওয়ামী লীগের ধারেকাছেও কেউ যায় না। তাদের শক্তিসমাবেশ এরকমই। যদি টাকার কথা বলি, আওয়ামী লীগে অনেক টাকা আছে। অন্যান্য শক্তি-সামর্থ্যতেও আওয়ামী লীগের বেশি। নিরাপত্তা বাহিনী, প্রশাসনসহ সবকিছুই আওয়ামী লীগের পক্ষে বেশি রয়েছে। বিএনপির পক্ষে সেটা প্রায় নেই।

তিনি আরও বলেন, বিদেশি শক্তিতেও আওয়ামী লীগ এগিয়ে। বিএনপির পেছনে মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র রয়েছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারত। আমেরিকা তো পারেনি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। ভারত চায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রাখতে, আমেরিকা চায় আওয়ামী লীগকে সরাতে।

এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, এই সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। মিডিয়া এটাকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছে এবং হুজুগে পরিণত করতে চাইছে। রাজনীতি যে গতিতে এগোচ্ছিল, সে গতিতেই চলবে। রাজনৈতিক নেতারা একসঙ্গে বসে একটু খোশালাপ করলেন, যার মনে যেটা ছিলো সেটা রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা হলে আগের ধারায় কথাবার্তা হবে। একসঙ্গে বসলে কী অর্জন হবে, মনের মধ্যে যদি কালি থাকে? আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট থেকে সংলাপে যাওয়া নেতাদের মধ্যে বিষধর সাপও রয়েছে। এই বিষধর সাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। বিষধর সাপ ধারণা নিয়েই তারা একসঙ্গে বসেছেন, খাওয়াদাওয়া করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সংলাপ সফলতা সম্পর্কে এখনই কিছু বলা যাবে না। তবে সংলাপে সরকারপক্ষ আওয়ামী লীগ অনেক লাভবান হয়েছে। তারা তাদের কথাবার্তা বেশ ভালোভাবে বলতে পেরেছে। মিডিয়া তাদের কথা প্রচার করেছে। সেই তুলনায় ঐক্যফ্রন্ট তাদের কথাগুলো বলতে পারেনি। লিখিতভাবে দফাগুলো পেশ করেছেন, শেখ হাসিনা তার জবাব দিয়েছেন। হয়তো তারা আরও কিছু আর্গুমেন্ট করেছেন, কথা বলেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কী কিছু হয়েছে?

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ