প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রত্যাবাসনের আগে রাখাইন পরিদর্শনে যেতে চেয়ে মিয়ানমারকে জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির চিঠি

তরিকুল ইসলাম : প্রথম দফায় রোহিঙ্গাদের একটি ব্যাচ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এরই সম্মত হয়েছে। চলতিমাসের ১৫ তারিখে প্ররত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার আগেই রাখাই পরিদর্শনে যেতে চেয়ে মিয়ানমারকে যৌথ ভাবে চিঠি দিয়েছে জাতিসংঘ ও ইউএনডিপি।

ঐ চিঠিতে মিয়ানমারের যেসব গ্রামে প্রথম ব্যাচের রোহিঙ্গারা ফেরত যাবে সেই গ্রামগুলো পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ শরণার্থী বিষক সংস্থার বাংলাদেশ অফিসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জেমস লিঞ্চ। একই সঙ্গে তিনি যুক্ত করেন,
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের সহায়ক পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের। এখন পর্যন্ত আমরা ৪০টির বেশি গ্রাম পরিদর্শন শেষ করেছি।

রোববার গুলশানের একটি হোটেলে জাতিসংঘ দিবস নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়ে জেমস লিঞ্চ বলেন, আমরা (জাতিসংঘ) এবং ইউএনডিপি লিখিতভাবে মিয়ানমার সরকারের কাছে অনুমতি চেয়েছি সেই গ্রামগুলো পরিদর্শনের জন্য, যেখানে প্রত্যাবাসনকারীরা ফেরত যাবে। এর ফলে প্রত্যাবাসনকারীরা সঠিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

এ সময় জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের মধ্যে কোনও মতপার্থক্য নেই। আমরা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। প্রতিটি বিষয়ের সমন্বয় থাকাটা অত্যান্ত জরুরী। আমি মনে করি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে মিয়ানমারের পরিবেশের দিকে জোর দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক।

এদিকে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রথম ব্যাচ যাওয়ার তারিখ একসঙ্গে বসে নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। এই প্রক্রিয়াটি শুরু করা জরুরি। কারণ এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৫ নভেম্বর দুই হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গার প্রথম ব্যাচ মিয়ানমারে ফিরে যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ