প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শিবিরের তালাবদ্ধ অফিসে কীভাবে বোমা আসল, প্রশ্ন জামায়াতের

আমাদের সময় : পুলিশের ব্লক রেইডের মধ্যে চট্টগ্রামে ইসলামী ছাত্রশিবিরের তালাবদ্ধ অফিসে কীভাবে বোমা আসল অথবা অফিসে ঢুকে কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটাল-এই প্রশ্ন করেছে জামায়াত। আজ রোববার এক বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এই প্রশ্ন করেন।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর বলেন, ‘গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরী শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের কার্যালয়ে পুলিশের ব্লক রেইড দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তল্লাসী চালানো এবং সেখান থেকে ছয়টি তাজা ককটেল, গান পাউডার, পেট্রল ও লাঠি জব্দ করার সাজানো নাটকের তীব্র নিন্দা জানান।

জামায়াতের সেক্রেটারি বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম মহানগরী শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের কার্যালয়ে পুলিশের ব্লক রেইড দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তল্লাসী চালানো এবং সেখান থেকে ৬টি তাজা ককটেল, গান পাউডার, পেট্রল ও লাঠি জব্দ করার ঘটনা পরিকল্পিতভাবে সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকার একদিকে সংলাপ করছে, অন্যদিকে একতরফা পাতানো প্রহসনের নির্বাচনের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ঠিক সেই সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরী শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের অফিসে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা যে পুলিশের পূর্ব পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। দেশের ছাত্র সমাজের প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশ্যেই সরকার পুলিশ দিয়ে নাটক সাজিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাজানো মামলা দায়ের করেছে।’

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘পুলিশের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে আমি তাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যে, পুলিশ যখন এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে লোকজনকে সরিয়ে দিয়ে চারিদিকে ব্লক রেইড দিয়েছিল, তখন ইসলামী ছাত্রশিবিরের তালাবদ্ধ অফিসে বোমা আসল কীভাবে? কীভাবেই বা কেউ তালাবদ্ধ অফিসে ঢুকে বোমা বিস্ফোরণ ঘটাল? আবার তারা নিরাপদে পালালই বা কী করে? কেউ যদি সেখানে থাকত তাহলে তারা নিশ্চয়ই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হতো।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘কেউ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ এ ধারণা প্রচার করছে যে, পেছনের দুটি দরজা দিয়ে যে কারো পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় যে, পুলিশী বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে যে কেউ কীভাবে পালাতে পারল? এ থেকে সহজেই বুঝা যায় যে, পুলিশের বক্তব্য সর্বৈব মিথ্যা।’

ডা. শফিকুর আরও বলেন, ‘পুলিশ কোনো দলীয় বাহিনী নয়। পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা পুলিশের কাজ নয়। ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা সাজানো মামলা প্রত্যাহার এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ