প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সি ফুডের ‘সিলিকন ভ্যালি’ বানাচ্ছে নরওয়ে

আসিফুজ্জামান পৃথিল : নরওয়েতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিশে^র বৃহত্তম স্যালমন মাছ চাষের শিল্প। তারা এটিকে আরো বড় করতে আগ্রহী। তাদের পূর্বতন লোভনীয় তেল লিল্পের ভগ্নদশার প্রেক্ষিতে সি-ফুডকেই নিজেদের অর্থনীতির মেরুদন্ড বানাতে চায় উত্তরসাগরীয় দেশটি।

তবে পবির্তনশলি জলবায়ু তাদের স্বপ্ন পূরণে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সাগরের উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্যালমন চাষীরা তাদের খামার আরোও উত্তরে আর্কটিক এলাকায় সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ স্যালমন প্রচন্ড তাপমাত্রা সংবেদনশীল প্রজাতি। এই শিল্পে রয়েছে আরোও একটি চ্যালেঞ্জ। স্যালমন মূলত জীবন্ত মাছের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে সমুদ্রে প্রাপ্ত ছোট মাছের ঘাটতিও এই শিল্পকে বিপদে ফেলতে সক্ষম। তাই নরওয়েকে জলতলের বাস্তুসংস্থানের কথাও ভাবতে হচ্ছে। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এই সি ফুডের ব্যবসা একদিন পরিণত হতে পারে নতুন এক সিলিকন ভ্যালিতে। তবে এই সিলিকন ভ্যালি প্রযুক্তি ব্যবসার নয়। বরং একদম প্রাকৃতিক মাছ ব্যবসার।

তবে নরওয়েজিয়ান শহর বেরগান এবং স্টাভেনগারকে এখনই তুলনা করা যেতে পারে সিলিকন ভ্যালির সঙ্গে। এসব এলাকায় স্যালমনের খাদ্য সঙ্কট সমাধানেও নিত্য নতুন আবিষ্কারের দিকে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা। এরকম একটি কোম্পানি সি ফুড ইনোভেশন ক্লাস্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানজা হোয়েল বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি নরওয়েতে জলবায়ু পরিবর্তন বাস্তুসংস্থানবে বদলাতে শুরু করেছে। আমাদের বাস্তুসংস্থানে নতুন প্রজাতি প্রবেশ করছে। গরম পানি স্যালমনকে চ্যালেঞ্জে ফেলছে। তবে নরওয়ে ভাগ্যবান কারণ আমাদের হাতে বিকল্প রয়েছে। আমাদের উপক’ল বিশাল এবং বৈচিত্রময়। আমরা চাইলেই আােও উত্তরে যেতে পারি। ১০ বছর আগেও কেউ ভাবেনি এই শিল্প এতো বড় হবে।’

নরওয়ের গবেষকরা পরিবেশ পরিবর্তনের কারণকে নিজেদের বন্ধু বানিয়ে ফেলেছেন। তারা এখন গ্রীন হাউজ গ্যাসকে সামুদ্রিক শৈবাল উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করছেন! যা স্যালমনের খাদ্য সমস্যার সমাধান করছে। দেশটির মঙস্লাড শিল্প এলাকার বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে গ্রীন হাউজ গ্যাস। এখান থেকেই বানানো হচ্ছে মাছের খাবার। রয়টার্স

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ